চাঁদাবাজির প্রতিবাদ, গাড়ি ছাড় ও বিক্রি না করার হুঁশিয়ারি বারভিডার
গত কয়েক মাস ধরে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে।
রাজধানীর প্রগতি সরণি এলাকায় ‘চাঁদাবাজি ও ককটেল হামলা’ বন্ধের দাবিতে সারা দেশে আধাবেলা গাড়ির শো-রুম বন্ধ রেখে মানববন্ধন করেছেন পুরনো গাড়ির ব্যবসায়ীরা।
আগামী ৩০ অক্টোবরের মধ্যে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলেও ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
রোববার বেলা ১০টা থেকে ২টা পর্যন্ত কর্মসূচি পালন শেষে বাড্ডা এলাকায় সংবাদ সম্মেলনে আসেন এই ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিকেলস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশন-বারভিডার নেতারা।
পুরনো গাড়ি আমদানিকারক ও বিক্রেতাদের সংগঠনের দাবি, গত কয়েক মাস ধরে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে অজ্ঞাত নম্বর থেকে ফোন করে।
বারভিডা সভাপতি আবদুল হক বলেন, “গত চার-পাঁচ মাসে ১২টি শো-রুমে হামলা ও ভাঙচুর হয়েছে। গত সপ্তাহেও ককটেল হামলা করেছে। ফোন করে হুমকি দিচ্ছে, চাঁদা না দিলে ব্যবসা করা যাবে না। আমরা পুলিশের কাছে গিয়েছিলাম, তারা তদন্ত শুরু করেছে। এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি।”
তারা কাউকে চাঁদা দেবেন না এবং সরকারের সঙ্গে আছেন তুলে ধরে তিনি বলেন, তাদের প্রতিহত করা হবে।
বারভিডা সভাপতি বলেন, “নভেম্বরের এক তারিখ থেকে আমরা গাড়ি ছাড় করা বন্ধ করবো, রাজস্ব দেওয়া বন্ধ করবো, রেজিস্ট্রেশনও বন্ধ করে দেব।”
বারভিডা সদস্য জাকারিয়া রহমান বলেন, “সব বিদেশি নম্বর থেকে কল করে হুমকি দেওয়া হয়। অনলাইনে কল করে ৫০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে ১০ লাখ, ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত চাচ্ছে। না দিলেই শো-রুমের সামনে ককটেল হামলা করে যাচ্ছে।’’
তিনি বলেন, “দামি গাড়ির শোরুমগুলো এ এলাকায়। এখন আমরা আতঙ্কে আছি। আমরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কয়েকটি সংস্থা জানিয়েছিলাম। তারপরও সমস্যার সমাধান হয়নি।”
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, প্রতি বছরে এ খাত থেকে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব দেওয়া হয়। কয়েক লাখ মানুষ এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।
