১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

৯০ ভরি সোনা ছিনতাই: মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের কর্মকর্তাসহ ৬ জনের কারাদণ্ড

অভিযোগ প্রমিাণিত না হওয়ায় একজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 Oct 2025, 06:11 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:31 PM

সাড়ে চার বছর আগে পুরান ঢাকায় এক ব্যবসায়ীর ৯০ ভরি সোনা ছিনতাইয়ের মামলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সাবেক সহকারী পরিচালক এস এম সাকিব হোসেনসহ ৬ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। 

সোমবার এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকার অষ্টম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শিহাবুল ইসলাম।

দণ্ডিতদের মধ্যে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সাবেক গাড়িচালক ইব্রাহিম শিকদার ছাড়াও জীবন পাল, আমিনুল ইসলাম, রতন কুমার সেন ও এমদাদুল হক নামে চারজন রয়েছেন।

দণ্ডিতদের মধ্যে সাকিব ও জীবনকে ৮ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি পাঁচ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও তিন মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অপর চার আসামিকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি পাঁচ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরও তিন মাস করে কারাভোগ করতে হবে। 

হারুন মুন্সী নামে এক আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

সাজার এ তথ্য জানিয়ে আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিলন হোসেন জানান, ৭ আসামি আদালতে হাজির ছিলেন। তবে রায় ঘোষণার আগে জীবন পালিয়ে যান। আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। দণ্ডিত অপর পাঁচ আসামিকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুরান ঢাকার জিন্দাবাহার পার্ক এলাকা থেকে ৯০ ভরি ওজনের দুটি সোনার বার ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগে ২০২১ সালের ১১ জানুয়ারি কোতোয়ালী থানায় মামলা করেন ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ওই বছরের ৭ জানুয়ারি ডিবি পুলিশ পরিচয়ে কয়েক ব্যক্তি সিদ্দিকুর রহমানকে তুলে নিয়ে ৯০ ভরি সোনা লুট করে নিয়ে যায়। অচেনা ওই ব্যক্তিরা নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দেয়।

মামলাটি তদন্ত করে ওই বছরের ৫ অক্টোবর ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে কোতয়ালী থানার এসআই রুবেল মল্লিক। ২০২২ সালের ৯ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আলমগীর হোসেন নামে এক আসামি মারা যায়। 

২৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ, আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে সোমবার রায় ঘোষণা করা হলো।