১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চাকরি হারালেন ৪৩তম বিসিএসের তিন সহকারী কমিশনার

কী কারণে ওই তিনজনকে ‘সরকারি চাকরিতে বহাল থাকার অযোগ্য’ বিবেচনা করা হল, সে বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে কিছু বলা হয়নি।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 Nov 2025, 01:26 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:09 PM

বুনিয়াদি প্রশিক্ষণরত তিনজন সহকারী কমিশনারকে (নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট) চাকরিচ্যুত করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। 

তাদের মধ্যে কাজী আরিফুর রহমান ফরিদপুরে, অনুপ কুমার বিশ্বাস বগুড়ায় এবং নবমিতা সরকার পিরোজপুরে সহকারী কমিশনার হিসেবে কর্মরত অবস্থায় বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে ছিলেন।

বুধবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮১-এর বিধি ৬(২)(এ) অনুযায়ী, বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ৪৩তম ব্যাচের এ শিক্ষানবিশ সহকারী কমিশনারদের সরকারি চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে। 

ওই বিধিতে বলা হয়েছে, শিক্ষানবিশীর মেয়াদ চলাকালে কোনো শিক্ষানবিশ সরকারি চাকরিতে বহাল থাকার অযোগ্য বিবেচিত হলে সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরমর্শ না করেই সরকার তার নিয়োগের অবসান ঘটাতে পারবে।  

তবে কী কারণে ওই তিনজনকে ‘সরকারি চাকরিতে বহাল থাকার অযোগ্য’ বিবেচনা করা হল, সে বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে কিছু বলা হয়নি। 

সরকারি চাকরিকালীন সময়ে তাদের কাছে কোনো প্রকার আর্থিক পাওনা থাকলে ‘দ্য পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি অ্যাক্ট, ১৯১৩’ অনুযায়ী তা আদায়যোগ্য হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।

এদিকে প্রশিক্ষণরত অবস্থায় হঠাৎ চাকরি হারানোর খবরে ভেঙে পড়েছেন এই তিন কর্মকর্তা। 

আরিফুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সাভারে প্রশিক্ষণে ছিলাম। হঠাৎ চাকরি যাওয়ার খবরে যেন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল। বাড়িতে পরিবারের লোকজনও ভেঙে পড়েছেন। তাদের সান্ত্বনা দিতে দ্রুত গ্রামে চলে এসেছি।”

এ বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ফিরোজ সরকারের সঙ্গে করা হলে তিনি বলেন, “আমি এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারব না। এটা আমার আওতাভুক্ত না। যার স্বাক্ষর রয়েছে তার সাথে যোগাযোগ করুন।”

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. এহছানুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।