বিমানের ফ্লাইটে ত্রুটির ক্ষেত্রে কঠোর হতে বললেন উপদেষ্টা
“মানবসৃষ্ট সমস্যার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শিথিলতা গ্রহণযোগ্য নয়,” বলেন তিনি।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজে ত্রুটির ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
ফ্লাইটগুলোতে সাম্প্রতিক নানা ত্রুটি আর জটিলতা প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, “বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি সরাসরি জনগণের জীবনের নিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই বিমানের সুনাম অক্ষুণ্ন রাখার স্বার্থে এ সকল ত্রুটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।
“ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানোর চেষ্টা করতে হবে। এক্ষেত্রে বিমানের প্রশাসন ও প্রকৌশল বিভাগকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয় বুধবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, এদিন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণ ও সমাধানে করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় কথা বলছিলেন উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, “মানবসৃষ্ট সমস্যার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের শিথিলতা গ্রহণযোগ্য নয় এবং এ বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এ ছাড়া ‘প্রি ফ্লাইট ইন্সপেকশনে’ অধিকতর সতর্ক হতে হবে।”
রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এ এয়ারলাইন্সের উড়োজাহাজগুলো গত জুলাই ও অগাস্ট মাসজুড়ে একের পর এক যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। উড্ডয়নের পর কিংবা মাঝপথ থেকে ফ্লাইটের ফিরে আসাসহ বিভিন্ন ঘটনা সামনে এসেছে। ফ্লাইট বাতিল ও শিডিউলেও বিপর্যয় দেখা গেছে। এসব ত্রুটির কারণে বিমানকে পড়তে হয়েছে সমালোচনায়।
সেইসঙ্গে বিমানবন্দরে আটকে থাকা উড়োজাহাজের জন্য অতিরিক্ত ভাড়া আর যাত্রীদের হোটেলে রাখার খরচ গুণতে হয়েছে বিমান কর্তৃপক্ষকে।
এ নিয়ে মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান, বিমান ও সিভিল এভিয়েশন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব হুমায়রা সুলতানা, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
