Published : 06 Jun 2025, 05:22 PM
দায়িত্ব নেওয়ার আট মাস পূর্তিতে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন 'আমাদের আমলনামা' নামে নিজেদের কাজের ‘অগ্রগতি’ তুলে ধরেছেন।
শুক্রবার দুপুর ২টার দিকে ফেইসবুক পোস্টে তিনি এ ‘আমলনামা’ তুলে ধরেন।
সেখানে বলা হয়, বিডা-বেজা কর্তৃপক্ষের মূল কার্যক্রম তিনটি অগ্রাধিকারভিত্তিক স্তরে পরিচালিত হচ্ছে।
এগুলো হল বিনিয়োগবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন; বিদ্যমান বিনিয়োগকারীদের জটিলতা নিরসন এবং দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক বিনিয়োগ টানতে দেশের ভাবমূর্তি উন্নয়ন।
আশিক চৌধুরীকে গত ১২ সেপ্টেম্বর বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য এ দায়িত্ব পান। এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর তাকে বেজার দায়িত্বও দেওয়া হয়।
সরকারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে আসার আগে আশিক যুক্তরাজ্যভিত্তিক দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশনের (এইচএসবিসি) সিঙ্গাপুর অফিসে কর্মরত ছিলেন। রিয়েল অ্যাসেট ফাইন্যান্স বিভাগের সহযোগী পরিচালক পদেও ছিলেন তিনি।
‘আমাদের আমলনামা’ শিরোনামে দেওয়া পোস্টে আশিক লিখেছেন, ''ঠিক আট মাস হল, বিডা-বেজায় আজকে। সরকারের বয়স প্রায় দশ মাস। ব্যারিস্টার ফুয়াদ ঠিকই বলেছেন। একটা আমলনামা দেওয়া দরকার। আমরা কি শুধু দুইটা প্রেজেন্টেশন করলাম এতদিন ধরে? কিছু সাংবাদিক, ফেইসবুক বিশেষজ্ঞ ও বটদের লেখা পড়লে তাই মনে হয়। আমাদের রিপোর্ট কার্ডটি শেয়ার করলাম। ধৈর্য ধরে পড়ার অনুরোধ রইলো।''
আশিক বলেন, বিডা-বেজার মূল কাজ তিনটি ক্ষেত্রে:
>> বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরির জন্য নীতিমালা ও বাস্তবায়ন পর্যায়ে পদক্ষেপ নেওয়া
>> বিদ্যমান বিনিয়োগকারীদের সমস্যা সমাধান করে তাদের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে গড়ে তোলা
>> দেশের ভাবমূর্তি উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ পাইপলাইন গঠন
অগ্রগতির তালিকা: ৩০টি উদ্যোগে ১৮টি এগিয়ে, ৭টি ‘অন ট্র্যাক’, ৫টি পিছিয়ে
প্রথম দিকে ২০০ জনের বেশি দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তা ও সিইওদের সঙ্গে পরামর্শ করে ৩০টি প্রধান পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হয়। তার মধ্যে ১৮টি পদক্ষেপ নির্ধারিত সময়সীমার তুলনায় এগিয়ে রয়েছে, ৭টি ‘অন ট্র্যাক’ এবং ৫টি পিছিয়ে রয়েছে বলে পোস্টে তুলে ধরেন আশিক।
এই অগ্রগতি নিয়মিতভাবে ‘স্টেট অব ইনভেস্টমেন্ট ক্লাইমেট’ নামে দুই মাস অন্তর ওয়েবিনারে তুলে ধরার তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, ''ডিসেম্বর নাগাদ সবগুলা কমপ্লিট করার টার্গেট।''
এগিয়ে থাকা প্রধান উদ্যোগগুলোও তুলে ধরেন আশিক।
এগিয়ে থাকা উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে:
>> ইনভেস্টর্স কনসালটেশন: ব্যবসায়ে প্ৰতিবন্ধকতা এবং তার সমাধান সম্বন্ধে তাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা।
>> ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের বদলে ৫টিতে দৃষ্টি দেওয়া। সেই পাঁচটিতে বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, অন্যান্য ইনফ্রাস্ট্রাকচারের একটা রোডম্যাপ প্রকাশ করা। অব্যবহৃত জমিতে সোলার পার্ক করা। সামরিক শিল্পে সক্ষমতার জন্য একটি মিলিটারি/ডিফেন্স ইকোনমিক জোন চালু করা।
>> প্রতি মাসে আন্ত-মন্ত্রণালয় কোঅর্ডিনেশন মিটিং চালু করা; ব্যবসা পরিস্থিতি আলোচনা ও সমস্যা সমাধান করা।
>> গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগকারীদের সমস্যা সমাধান করতে আলাদা একটি টিম গঠন করা।
>> বিডার ওয়ান স্টপ সার্ভিস পোর্টালের মাধ্যমে পাওয়া সেবার পারফরমেন্স ডেটা (কতগুলো সেবা দেওয়া হলো, কার কতদিন লাগলো) বিডার ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা।
>> এফ ডি আই হিটম্যাপ: বাংলাদেশে কোন খাতে বিনোয়োগ করা উচিত, কোন খাতে সামনে সরকার পলিসি সাপোর্ট দিবে, এরকম একটা রিসার্চ প্রকাশ করা। এর সিকুয়েল হিসেবে একটি সেমিকন্ডাক্টর টাস্ক ফোর্স গঠন করা হয়েছে। আগামী মাসে তারা রিপোর্ট জমা দিবে।
>> ফরেন কারেন্সি লোন গ্রহণ প্রক্রিয়ার উন্নতি, স্পিড টু মার্কেট, ফ্লেক্সিবিলিটি ইত্যাদি।
>> এনবিআর এ গ্রিন চ্যানেল বা অথোরাইজড ইকোনমিক অপারেটর চালু করা।
>> এনবিআরে ডিজিটাল ইনভয়েসিং বা ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো চালু করা।
>> বাংলাদেশের সমুদ্র বন্দরগুলোর কার্যক্ষমতা বাড়ানোর জন্য পোর্ট স্ট্রাটেজি নির্ধারণ। এর ধারাবাহিকতায় একটি ফ্রি ট্রেড জোন স্থাপন।
>> স্টার্টার প্যাক: ব্যবসা শুরু করার জন্য বেসিক যে কয়টি অনুমোদন লাগে, তা একটা ডিজিটাল ফর্মে নিয়ে আসা।
>> বিডাতে একটি দক্ষ রিসার্চ উইং চালু করা
>> এফডিআই প্রোমোশনে সবার জন্য প্রণোদনা বা ইন্সেন্টিভ প্রোগ্রাম চালু করা।
>> ঢাকায় একটি ‘ম্যাচমেকিং’ বিনিয়োগ সম্মেলন আয়োজন করা।
>> ইনস্টিটিউশনাল এক্সেলেন্স: বিডা-বেজাকে ডি নথিতে এনে সম্পূর্ণ পেপারলেস করা। বিডা-বেজায় ডে কেয়ার চালু করা কর্মচারীদের জন্য। বিডা অফিসে বিনিয়োগকারীদের এবং কর্মচারীদের জন্য ক্যান্টিন ও মিটিং ফেসিলিটি চালু করা।
>> কমিউনিকেশন স্ট্রাটেজি বা যোগাযোগ কৌশলের উন্নতি: পরিমার্জিত নতুন ওয়েবসাইট, যেটা এ মাসের শেষে চালু হবে।
>> এনবিআর, পরিবেশ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিকে বিডা অফিসে সংস্থাপন করা। প্রত্যেক সরকারি অফিসে ব্যবসায়ীদের জন্য একজন ফোকাল পয়েন্ট পার্সনের নাম প্রকাশ করা।
>> ওয়ার্ক পারমিট/ভিসা ও সিকিউরিটি ক্লিয়ারেন্স ব্যবস্থার উন্নতি।''
‘অন ট্র্যাক’ পদক্ষেপসমূহের মধ্যে রয়েছে
‘অন ট্র্যাক’ পদক্ষেপসমূহও তুলে ধরেন আশিক। এ তালিকায় রয়েছে-
>> বিডায় গুরুত্বপূর্ণ ইনভেস্টরদের জন্য রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট টিম চালু করা। একই সঙ্গে দুই বছরের একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রাইভেট সেক্টরের দক্ষ কর্মকর্তাদের দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ দেওয়া।
>> সরকারের সব ব্যবসায়িক সেবার জন্য করা ওয়ান স্টপ সার্ভিস ও ডিজিটাল প্লাটফর্মকে একীভূত করা বা একটি সিঙ্গেল সাইন ইন প্লাটফর্মে নিয়ে আসা।
>> বিভিন্ন লাইসেন্সিংয়ের প্রয়োজনীয়তা চ্যালেঞ্জ করে লাইসেন্সের সংখ্যা কমিয়ে আনা।
>> সরকারি অলাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলো বেসরকারি খাতে দেওয়া।
>> মার্জার ও একুইজিশন রুল সংস্কার।
>> বিডা-বেজার আইন আধুনিক করা।
>> বিডা, বেজা, বেপজা, হাই টেক পার্ক ও পিপিপি অথরিটিতে সমন্বয়হীনতা কমাতে তাদের একই ছাতার নিচে নিয়ে আসা।
পিছিয়ে থাকা পাঁচ উদ্যোগ
পিছিয়ে থাকা কাজগুলোর যে তালিকা আশিক দিয়েছেন, তাতে রয়েছে-
>> প্রাইভেট সেক্টর অ্যাডভাইসারি কাউন্সিল চালু করা: সরকারকে একদম আনফিল্টার্ড ফিডব্যাক দেওয়ার জন্য।
>> ট্যাক্স রুলস: ইনকিউবেশন, গ্রান্ডফাদারিং, সানসেট রুলস।
>> ক্যাপিটাল রিপেট্রিয়েশন নীতি ও প্রক্রিয়া সংস্কার।
>> বিডার সাংগঠনিক কাঠামো সংস্কার/আধুনিকায়ন।
>> জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ স্ট্রাটেজি।
আশিক বলেন, ''অনেকগুলো উদ্যোগ আমরা ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, ইউএনডিপি, বিভিন্ন দূতাবাস আর প্রাইভেট সেক্টর পার্টনারদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে করছি। অনেকেই বিনা পারিশ্রমিকে দেশসেবা/সাহায্য করছেন। ''
বিনিয়োগকারীদের সমস্যা সমাধানে অগ্রাধিকার
তিনি বলেন, ''দেশের এক্সিস্টিং বিনিয়োগকারীদের সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করা এবং তাদের হয়ে পলিসি অ্যাডভোকেসি করা জরুরি। নতুনরা এসে তাদের কাছেই জানতে চাইবেন, এদেশে ব্যবসা করা উচিত কিনা। ''
তিনি বলেন, ''বেশ কিছু কোম্পানির ইস্যু সমাধান করা হয়েছে। যেমন, ইয়ংওয়ান গ্রুপ, মেটলাইফ, শেভরন, লাফার্জ, বাংলাদেশ অটোমোবাইলস। তারা পাবলিকলি এগুলা শেয়ার করেছেন। আরও অনেকে বাকি আছেন। তারা ডিসার্ভ করেন। কিন্তু লোকস্বল্পতার কারণে সবাইকে সাহায্য করতে পারছি না।''
পলিসি অ্যাডভোকেসির ক্ষেত্রেও কাজ হচ্ছে তুলে ধরে তিনি লেখেন, “ফুল ও পার্শিয়াল বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্স পলিসি সংস্কার, ম্যান মেড ফাইবার আনুষঙ্গিক ইম্পোর্ট ডিউটি হ্রাস, ইন্সেটিভের জন্য ‘নো ডেডাকশন’ সার্টিফিকেট ইস্যু প্রক্রিয়া বদল ইত্যাদি।''
তিনি বলেন, '' কিছু রিফ্লেকশন এই বাজেটে এসেছে। আরও অনেক কিছু বাকি রয়ে গেছে। লম্বা লিস্ট। সামনে আশা করি আরও দেখতে পাবেন। ''
বিনিয়োগ পাইপলাইন ও সামিট
দেশে বিনিয়োগের জন্য 'আমাদের দেশে এমনিতেই আসবে' — এই আত্মতুষ্টির ধারণা পরিহার করার কথা বলেন আশিক। আগে কখনও ইনভেস্টর পাইপলাইন ট্র্যাক করা হত না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন,'' ইনভেস্টর আমাদের দেশে এমনিতেই আসবে, এই আরোগ্যান্সের কোনো কারণ নাই। বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট মেনুর অনেকগুলা অপশনের মধ্যে একটা। তাছাড়া বিদেশে বসে গুগল সার্চ করলে আমাদের নিয়ে যে পারসেপশন তৈরি হয়, সেটা রিয়েলিটির চেয়ে অনেক বেশি নেগেটিভ।
''সামনের দিনগুলোতে এমন চাতক পাখির মত যাতে বসে থাকতে না হয়, ইনভেস্টররা যেন জানেন, কেন বাংলাদেশ ২.০ আগের চেয়ে আলাদা, দেশি-বিদেশী ব্যবসায়ীদের যাতে ম্যাচমেকিং হয়, সেজন্য আমরা দুটি সামিটের আয়োজন করেছি; একটি সবার জন্য, আরেকটি চীনকে ফোকাস করে।''
এই দুটি সামিটে মোট ৬৭৫ জন বিনিয়োগকারী অংশ নেন এবং তিন শতাধিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয় বলে তথ্য দেন আশিক।
তিনি বলেন, ''আমরা আগেও বলেছি, বিলিয়ন ডলার ইনভেস্টমেন্ট একদিনে আসে না। সামিটে এসে ইমোশনাল হয়ে কেউ হুট করে ১০০ কোটি টাকার চেক লিখে ফেলেন না। যারা এই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেন, তারা জানেন।''
তিনটি নতুন বিনিয়োগ ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে বলে তথ্য দেন আশিক। তিনি বলেন, ''তারপরও সৌভাগ্যক্রমে তিনটি একদম নতুন বিনিয়োগ অলরেডি কনফার্ম করেছে। একটি গার্মেন্টস, একটি এয়ারলাইন্সের এমেনিটি কিট ও একটি ঘড়ি ম্যানুফ্যাকচারার। সব মিলিয়ে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা। দশ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে কারখানাগুলো চালু হলে। আরো প্রায় ১৫টি প্রজেক্ট আছে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ফাইনাল হতে পারে। সবচেয়ে বড় কথা একটা সলিড পাইপলাইন তৈরি হলো। আগামীতে যারা বিডা চালাবেন, তাদের শূন্য থেকে শুরু করতে হবে না। ''
ইনভেস্টমেন্ট সামিট নিয়ে একটা হাইপ তৈরি হয়েছিল, সেটা আমাদের টার্গেট ছিল না বলে জানান আশিক। তিনি বলেন,'' আমি আগেও অনেকবার বলেছি, যে আমরা খালি একটা গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড প্রোগ্রাম ডেলিভার করতে চেয়েছিলাম। এটার জন্য আলাদা কোনো বাহবা পাওয়ার আশা আমরা একদম করি না। আরো ভালো করার অনেক সুযোগ আছে। কাজগুলো কমিটেড সময়ের মধ্যে হচ্ছে কিনা, এর জন্য আমাদের অ্যাকাউন্টেবল করুন।''
'পুনশ্চ' লিখে তিনি আরো দুটি বিষয় টেনে আনেন তার পোস্টে।
তার একটিতে তিনি লেখেন, '' পুনশ্চ ১: অক্টোবর থেকে এপ্রিলের বিনোয়োগের পরিমাণ আর গত বছরের একই সময়ের নাম্বারটা প্রায় একই। কিন্তু এতে বিডার কোনো ক্রেডিট বা ফেইলিওর নাই। এতো বড় অস্থিতিশীল পরিস্থিতির পরে এত তাড়াতাড়ি বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ আগের জায়গায় ফিরে গেছে তা আশার কথা। কিন্তু এর পেছনে মূল শক্তি অর্থনৈতিক টার্ন অ্যারাউন্ড: রিজার্ভ বৃদ্ধি, বিনিময় হার স্থিতি ইত্যাদি।
''পুনশ্চ ২: ইনফরমেশন প্লিজ ভেরিফায়েড সোর্স থেকে নেবেন। ভুল তথ্যের শিকার হবেন না। আমাদের জিজ্ঞেস করুন। আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব।''