১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থীর কর্মসূচিতে হামলায় সরকারের নিন্দা

“আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে সহিংসতা ও ভীতি প্রদর্শনের কোনো স্থান নেই,” বলা হয় বিবৃতিতে।

চট্টগ্রামে বিএনপি প্রার্থীর কর্মসূচিতে হামলায় সরকারের নিন্দা
এরশাদ উল্লাহ।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 05 Nov 2025, 11:17 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:36 PM

চট্টগ্রাম-৮ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর প্রচারসভায় হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার।

বুধবার সরকার প্রধানের দপ্তর থেকে দেওয়া বিবৃতিতে এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, “চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এরশাদ উল্লাহ হামলার মূল লক্ষ্য ছিলেন না। একটি লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলিতে তিনি আহত হন। সরকার তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করছে। এ ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

বিবৃতিতে বলা হয়, “সরকার এই অপরাধমূলক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী সকল প্রার্থী ও নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অটল প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করছে।

“প্রধান উপদেষ্টা নিরাপত্তা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন, যেন অপরাধীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও দ্রুত বিচারের আওতায় আনার ক্ষেত্রে কোনো শৈথিল্য না থাকে। আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে সহিংসতা ও ভীতি প্রদর্শনের কোনো স্থান নেই। ইতোমধ্যে সিএমপি হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করেছে।”

এতে আরও বলা হয়, “অন্তর্বর্তী সরকার সকল রাজনৈতিক দল এবং তাদের সমর্থকদের শান্তি ও সংযম বজায় রাখতে আহ্বান জানায়, যেন ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, মর্যাদাপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

“দেশব্যাপী অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য ও উৎসবমুখর নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকার সব ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে যাচ্ছে এবং একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।”

বুধবার বিকালে চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন চালিতাতলী পূর্ব মসজিদের কাছে এরশাদ উল্লাহর প্রচারসভায় হামলা হয়। এতে তিনিসহ গুলিবিদ্ধ হন পাঁচজন। তাদেরকে নগরীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

বাকি চারজন হলেন সরোয়ার হোসেন বাবলা, ইরফানুল হক শান্ত, আমিনুল হক ও মর্তুজা হক। 

এদের মধ্যে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সরোয়ার হোসেন বাবলার মৃত্যু হয়। তিনি পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী। কিছু দিন ধরে তিনি নিজেকে বিএনপি কর্মী দাবি করতেন। 

বাকি তিনজনের মধ্যে ইরফানুল হক শান্ত ৩ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক। আমিনুল হক ও মর্তুজা হকও বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত।