Published : 24 Feb 2026, 08:30 PM
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশের অভিযান চলাকালে দুই সাংবাদিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনার চার পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাদের প্রত্যাহার করার তথ্য দেন রমনা বিভাগের উপ পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম। বলেন, “চারজনকে ক্লোজ করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।”
এই চারজন শাহবাগ থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। তাদের নাম পাওয়া যায়নি।
সোমবার রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযানের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাঈম উদ্দীনসহ দুই দর্শনার্থীর ওপর ‘পুলিশি হামলার’ প্রতিবাদে মঙ্গলবার শাহবাগ থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান তার সতীর্থরা।
তারা দুপুর ১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত থানার সামনে জড়ো হয়ে তিনটি দাবি তুলে ধরে বিক্ষোভ করেন। পরে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসে বিক্ষোভকারীরা থানার সামনে থেকে চলে যান।
সোমবার রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে দুই সাংবাদিক, শিক্ষার্থী নাঈম উদ্দীনসহ কয়েকজন দর্শনার্থী পুলিশের মারধরের শিকার হন।
ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিক হলেন- বাংলানিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের তোফায়েল আহমেদ (২৫) এবং আজকের পত্রিকার কাউসার আহমেদ রিপন (২৭)।
সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, একদল পুলিশ সদস্য তোফায়েলকে লাঠি দিয়ে নির্বিচারে পেটাচ্ছেন। পরে অন্য পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান।
সোহরাওয়ার্দীর ঘটনার বিষয়ে নাঈম উদ্দীন বলেন, “আমরা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ‘বহু ভাষার সন্ধ্যা’ শীর্ষক একটি অনুষ্ঠান নিয়ে আলোচনা করছিলাম এবং ফেরার পথে পুলিশ আমাদের মুখোমুখি হয়।
“পরে তারা আমাদের কাছে অবৈধ কিছু না পেয়ে অভিযোগ তোলেন যে আমরা নাকি তাদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছি। আমার মাথা, হাত ও পায়ে চোট লেগেছে। আমার সঙ্গ থাকা আরও এক বন্ধুকেও তারা মেরেছে।”
ঢাবি শিক্ষার্থীর ওপর 'পুলিশি হামলার' প্রতিবাদে শাহবাগ থানা ঘেরাও