১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আরেক মামলায় বুবলী গ্রেপ্তার

“এলাকার লোকজনদের জিজ্ঞাসাবাদে ও স্থানীয় তদন্তে জানা গেছে, আসামি বুবলী মিছিলের অর্থের যোগাদানদাতা ও নির্দেশদাতা।”

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 May 2026, 12:39 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:32 PM

ঝটিকা মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে করা তেজগাঁও থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের আরেক মামলায় সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক এমপি ও নরসিংদী পৌরসভার সাবেক মেয়র লোকমান হোসেনের স্ত্রী তামান্না নুসরাত বুবলীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে সোমবার ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ এ আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী এ তথ্য জানিয়েছেন।

গেল বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে বিশেষ অভিযানে মিরপুর থেকে তামান্না নুসরাত বুবলীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন তাকে তেজগাঁও থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার এসআই মো. শরিফুল ইসলাম গত ২৯ এপ্রিল বুবলীকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য এ দিন ঠিক করা হয়।

এদিন শুনানিকালে বুবলীকে আদালতে হাজির করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে ওমর ফারুক ফারুকী গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।

শুনানি নিয়ে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনে বলা হয়, “মামলার তদন্তকালে এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের লোকজনদের জিজ্ঞাসাবাদে ও স্থানীয় তদন্তে জানা গেছে, আসামি বুবলী মিছিলের অর্থের যোগাদানদাতা ও নির্দেশদাতা। তিনি ২০২৫ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ঘটনাস্থলের আশপাশে অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে ঘোরাফেরা করে মিছিলে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন৷ পরে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে চলে যান। তাছাড়া মামলার ঘটনার সঙ্গে তার জড়িত থাকার বিষয়ে যথেষ্ট সাক্ষ্য প্রমাণাদি পাওয়া গেছে।”

ঝটিকা মিছিলে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় গত বছরে ৭ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন তেজগাঁও থানার এসআই একেএম নিয়াজউদ্দিন মোল্লা। 

মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে, “৭ সেপ্টেম্বর দুপুরের দিকে রাজধানীর তেজগাঁও থানাধীন মনিপুরীপাড়ার ২/এ পার্ক টাউন রেস্টুরেন্টের সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা ব্যানারসহ মিছিল করে। একপর্যায়ে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্য পর পর দুটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়।  পরে ১ টা ৩৫ মিনিটের দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশ কয়েকজনকে আটক করে এবং বাকীরা পালিয়ে যায়।”