Published : 04 Dec 2014, 08:03 PM
বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম এইচএম শফিকুল ইসলামের আদালতে তিনি দুটি মামলায় হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর কেএম ফজলুর রহমান।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে মাগুরা থেকে গ্রেপ্তার র্যাব সদস্য নুরুজ্জামান বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
নারায়ণগঞ্জে সাত জনকে অপহরণ ও খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার রাতে র্যাব-১১ এর এএসআই বজলুর রহমান, আবুল কালাম আজাদ এবং হাবিলদার নাছিরউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা তিনজন সাত দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।
গত ৩০ এপ্রিল লাশ উদ্ধারের ছবি
গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ সাতজন অপহৃত হন। পরে ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ছয় জনের ও পরদিন আরো একজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এঘটনায় নিহত নজরুল ইসলামসহ ৫ জনকে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি ফতুল্লা মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।
অন্যদিকে আইনজীবী চন্দন সরকার ও তার গাড়ির চালক ইব্রাহিম অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় তার জামাতা বিজয় কুমার পাল বাদী হয়ে আরেকটি মামলা করেন।
এ পর্যন্ত সাত খুনের ঘটনায় র্যাবের ১৫ জনসহ মোট ২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ১৩ জন র্যাব সদস্যসহ ১৪ জন হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন।
র্যাবের ৯ সদস্যসহ মোট ১৬ জন আদালতে স্বাক্ষী হিসেবে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।