২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭ কার্তিক ১৪৩৩

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সমুদ্রসীমার রায় শুরু

বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ নিয়ে শুনানির পর সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের বিচারক রায় দেওয়া শুরু করেছেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 14 Mar 2012, 12:53 PM

Updated : 24 Aug 2022, 10:58 AM

ঢাকা, মার্চ ১৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম) - বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ নিয়ে শুনানির পর সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের বিচারক রায় দেওয়া শুরু করেছেন। জার্মানির হামবুর্গভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ট্রাইব্যুনাল ফর দি ল অব দি সির (আইটিএলওএস) বিচারক হোসে লুই জেসাস বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টায় রায় পড়া শুরু করেন। সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তিতে ২০০৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর সমঝোতার ভিত্তিতে আইটিএলওএসে নিষ্পত্তির জন্য যায় বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। ২০১০ সালের ১ জুলাই বাংলাদেশ এবং ওই বছরের ১ ডিসেম্বর মিয়ানমার নিজেদের দাবির পক্ষে নথিপত্র উপস্থাপন করে ট্রাইব্যুনালে। ২০১১ সালের ১ মার্চ বাংলাদেশ মিয়ানমারের দাবির ব্যাপারে এবং মিয়ানমার ১ জুলাই বাংলাদেশের দাবির বিষয়ে আপত্তিপত্র জমা দেয়। প্রথম দফায় বাংলাদেশের শুনানি চলে গত বছরের ৮ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আর ১৫ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের বক্তব্য শোনে ট্রাইব্যুনাল। ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দফায় বাংলাদেশের পক্ষে যুক্তি-তর্ক তুলে ধরা হয়। ২৪ সেপ্টেম্বর মিয়ানমার দ্বিতীয় দফায় তাদের বক্তব্য তুলে ধরে। আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন বিশেষজ্ঞ থমাস মেনসাহ বাংলাদেশের পক্ষে এবং অধ্যাপক বার্নার্ড এইচ অক্সমান মিয়ানমারের পক্ষে এই শুনানিতে অংশ নেন। সাগরে গ্যাস অনুসন্ধান করতে গিয়ে অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা নিয়ে প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশের বিরোধ দেখা দেয়। সমুদ্রসীমা নির্ধারণে বাংলাদেশ ন্যায্যতাভিত্তিক পদ্ধতি অনুসরণের পক্ষে হলেও মিয়ানমার এই ক্ষেত্রে সমদূরত্ব পদ্ধতি অনুসরণের পক্ষপাতি। সমদূরত্ব পদ্ধতি অনুসরণ করে সমুদ্রসীমা নির্ধারণ হলে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, যদিও এই বঙ্গোপসাগরের মহীসোপান গঠনে বাংলাদেশের ভূমির অবদানই বেশি। বাংলাদেশ ট্রাইব্যুনালের কাছে অনুরোধ করেছে দুই দেশের মধ্যে সমুদ্রসীমা ১৯৭৪ সালের দুই দেশের ঘোষিত সমুদ্রসীমা অনুযায়ী নির্ধারণ করে দেওয়া হোক, যাতে ২০০৮ সালেও দুই দেশ সম্মত ছিল। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এসএসজেড/এসইউ/১৮৫০ ঘ.