কর্মবিরতিতে যাওয়ার হুমকি পোস্ট গ্র্যাজুয়েট চিকিৎসকদের
“আমাদের ভাতা আরেক দফা বাড়ানোর কথা ছিল জানুয়ারি মাস থেকে, কিন্তু আমাদের শুধু আশ্বাসের উপরেই রাখা হচ্ছে,” বলেন ডা. জাবির।
ট্রেইনি ও ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা বাড়ানো, বকেয়া ভাতা পরিশোধসহ চার দফা দাবি পূরণ না হলে কর্মবিরতিতে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন।
চার দফা দাবিতে শনিবার সকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানববন্ধন আয়োজন করা হয়। পরে আন্দোলনকারীরা শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটউটে গিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেনের সঙ্গে দেখা করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাদের দাবিগুলো বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন।
পোস্ট গ্র্যাজুয়েট প্রাইভেট ট্রেইনি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের দাবির মধ্যে আছে, ট্রেইনি চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা ৫০ হাজার এবং ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা ৩০ হাজার টাকা করতে হবে। এফসিপিএস, রেসিডেন্ট, ননরেসিডেন্ট চিকিৎসকদের বকেয়া ভাতা পরিশোধ করতে হবে।
বিএসএসএমইউর অধীনে ১২টি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের রেসিডেন্ট এবং ননরেসিডেন্ট চিকিৎসকদের ভাতা আবার চালু করতে হবে এবং চিকিৎসক সুরক্ষা আইন সংসদে পাস ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
সংগঠনের সভাপতি ডা. জাবির হোসেন বলেন, “গত ৯ মাস ধরে ট্রেইনি ডাক্তাররা তাদের ভাতা থেকে বঞ্চিত। প্রাইভেট ইনস্টিটিউটের রেসিডেন্ট এবং ডিপ্লোমা ট্রেইনিদের ভাতা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
“আমাদের ভাতা আরেক দফা বাড়ানোর কথা ছিল জানুয়ারি মাস থেকে। কিন্তু আমাদের শুধু আশ্বাসের উপরেই রাখা হচ্ছে। বর্তমানে আমাদের পরিবারের ভরণপোষণ অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থায় আমাদের ৪ দফা দাবি না মেনে নিলে কঠোর কর্মসূচিতে যাব।”
জাবির হোসেন বলেন, “স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিষয়টি নিষ্পত্তির আশ্বাস দিয়েছেন। এজন্য ২৪ ঘণ্টা সময় নিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছি। আমরা এর আগে আমাদের স্যারদের কাছে দাবি জানিয়েছিলাম। কিন্তু এখন তাদের উপর আস্থা রাখতে পারছি না।
“মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তিনি বলেছেন, রোববার একটি মিটিং হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত হবে। কাল দুপুর ১টার দিকে আমাদেরকে সিদ্ধান্ত জানানো হবে। আমাদের দাবি না মানলে হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করা আমাদের পক্ষে সম্ভব হবে না। আমরা কর্মবিরতিতে যাব।”
