Published : 06 Sep 2026, 08:23 PM
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
রোববার সকালে তিনি বিমানবন্দরে যান বলে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মন্ত্রীর পরিদর্শনকালে দুপুর ১টায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জেদ্দা–চট্টগ্রাম–ঢাকা রুটের একটি ফ্লাইট বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
এ সময় তিনি ফ্লাইটটির কার্গো হোল্ড খোলা থেকে শুরু করে ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং এবং যাত্রীদের কাছে নিরাপদে ব্যাগেজ হস্তান্তর পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া সরেজমিনে তদারকি করেন।
উপস্থিত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, “বিমানবন্দরে আগত যাত্রীদের ব্যাগেজ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সময় কমিয়ে আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।”
ব্যাগেজ সরবরাহের সময় কমিয়ে আনার লক্ষ্যে তিনি উড়োজাহাজ অবতরণের পর ‘প্যাসেঞ্জার গেইট’ এবং ‘কার্গো হোল্ড’ খোলার সময়ের মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।
এছাড়া, কোনো ফ্লাইট অবতরণের আগেই গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে নিয়োজিত কর্মীদের পরিকল্পিত ও সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
যাত্রী সেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ব্যাগেজ হ্যান্ডলিং কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে তাৎক্ষণিক তথ্য প্রদর্শনের লক্ষ্যে বিমানবন্দরে ‘লাইভ মনিটরিং স্ক্রিন’ স্থাপনের নির্দেশনাও দেন তিনি।
বিমানবন্দরে আগত যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্য ও উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে ওয়াশরুমগুলোর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার বিষয়ে জোর দেন রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
এ সময় তিনি বিমানবন্দরের বিভিন্ন ওয়াশরুম পরিদর্শন করেন এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করেন।
পরিদর্শনকালে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাইজার সোহেল আহমেদ, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রণালয় বলছে, বর্তমান সরকার দেশের বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানি দূরীকরণের লক্ষ্যে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অবলম্বন করেছে। সে হিসেবে ব্যাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণের জন্য মন্ত্রী পর্যায়ে এ তদারকি।