মহাখালীতে রেললাইন-সড়ক অবরোধে তিতুমীরের শিক্ষার্থীরা, ট্রেন চলাচল বন্ধ
বনানী থেকে তেজগাঁও, তেজগাঁও থেকে বনানী এবং মহাখালীর আমতলী থেকে জাহাঙ্গীরগেইট পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ আছে।
রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় করার দাবিতে মহাখালীতে সড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
সোমবার বেলা ১১টার শুরু হওয়া অবরোধ এখনও চলছে।
এতে বনানী থেকে তেজগাঁও, তেজগাঁও থেকে বনানী, মহাখালীর আমতলী থেকে জাহাঙ্গীরগেইট এবং মহাখালী থেকে গুলশান পর্যন্ত সড়কে যান চলাচল বন্ধ আছে।
এছাড়া কমলাপুরের সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ আছে বলে জানিয়েছেন স্টেশন মাস্টার মো. আনোয়ার হোসেন ।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিতে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা রেললাইন ব্লক করেছে। ওখানে একটা ট্রেন আটকে আছে জানি, কোনটা এখনও শিওর হতে পারিনি। আমাদের কন্ট্রোল রুমে কথা বললাম তারা বলেছেন কোনো ট্রেন এখন ছাড়ছে না।”
দাবি বাস্তবায়নে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এই অবরোধ কর্মসূচি চলবে বলে ঘোষণা এসেছে আন্দোলনকারীদের কাছ থেকে।
সেখানে গিয়ে দেখা গেছে, মহাখালীর আমতলী, মহাখালী কাঁচাবাজার এবং রেলক্রসিংয়ে কয়েকশ শিক্ষার্থী জড়ো হয়েছেন।
এর আগে তারা কলেজ ক্যাম্পাস ও সামনের সড়কে তিতুমীরকে বিশ্ববিদ্যালয় করার এক দফা দাবিতে খণ্ড খণ্ড মিছিল করছে।
মহাখালী রেললাইন এবং দুপাশের সড়কে কিছু শিক্ষার্থী সড়ক, রেললাইনের উপরে বসে পড়েছেন। তারা কোনো যানবাহন চলাচল করতে দিচ্ছেন না।
বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আশরাফুল ইসলাম তিতাস বলেন, “আমরা আমাদের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে রাস্তায় এসেছি। গত ২৭ বছর ধরে তিতুমীর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত করার দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু দাবি মেনে নেওয়া হচ্ছে না। জগন্নাথ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে গেছে। আমাদের ৫৮ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। কিন্তু আমাদের ন্যায্য দাবি পূরণ করছে না।”
গণিত বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আল নোমান নীরব বিডিনিউজ টোয়েন্টিয়ফোর ডটকমকে বলেন, “যতক্ষণ পর্যন্ত তিতুমীর কমিশন গঠনের ব্যাপারে মন্ত্রণালয় থেকে বা নির্দিষ্ট দায়িত্বশীলদের কাছ থেকে আমরা স্পষ্ট কোনো আশ্বাস পাই, ততক্ষণ পর্যন্ত সড়ক ও রেলপথ অবরোধ থাকবে।”
মহাখালীর আমতলী এবং রেলক্রসিং এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
