১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে দুদকে তলব

আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর তাকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে।

দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক সেনাপ্রধান শফিউদ্দিনকে দুদকে তলব
এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ ২০২১ সালের ২৪ জুন থেকে ২০২৪ সালের ২৩ জুন পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 30 Aug 2026, 04:06 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:55 PM

বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন-দুদক।

আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টায় তাকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হয়ে বক্তব্য দিতে বলা হয়েছে।

রোববার দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নোটিস পাঠানোর বিষয়টি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানিয়েছেন। 

দুদকের পরিচালক মো. আবুল হাসনাতের পাঠানো এ নোটিসে বলা হয়েছে, এস এম শফিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ‘বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ’ পেয়েছে দুদক। 

অভিযোগ অনুসন্ধানে দুদকের পরিচালক আবুল হাসনাতকে দলনেতা এবং উপপরিচালক মোজাম্মিল হোসেনকে সদস্য করে দুই সদস্যের একটি দল করা হয়েছে।

নোটিসে বলা হয়েছে, সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে শফিউদ্দিনের বক্তব্য শোনা ও গ্রহণ করা ‘একান্ত প্রয়োজন’। 

সে কারণে তাকে জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে নিয়ে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হতে বলা হয়েছে।

নোটিসের তথ্য অনুযায়ী, শফিউদ্দিনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগের অনুসন্ধান প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর।

দুদকের একজন ঊধ্বর্তন কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ''এটি এখনো অনুসন্ধান পর্যায়ের অভিযোগ। অনুসন্ধান শেষে সংশ্লিষ্ট দল কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেবে। অভিযোগের পক্ষে তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেলে মামলা করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে কমিশন। অভিযোগের সত্যতা না মিললে অনুসন্ধান নিষ্পত্তিও হতে পারে।''

শফিউদ্দিন ২০২১ সালের ২৪ জুন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি জেনারেল আজিজ আহমেদের কাছ থেকে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। 

তিন বছর দায়িত্ব পালনের পর ২০২৪ সালের ২৩ জুন অবসরে যান জেনারেল শফিউদ্দিন। সেনাপ্রধান থাকা অবস্থায় তিনি বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সাবেক সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ, অর্থ পাচার ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে দুদক একাধিক অনুসন্ধান শুরু করেছে। তাদের অনেকের বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়েছে।