Published : 01 Sep 2026, 11:23 PM
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্মাণাধীন থার্ড টার্মিনালের র্যাম্পে অতিরিক্ত গতিতে মোড় নিতে গিয়ে বিমান বাহিনীর গাড়িটি নিচে পড়ে যায় বলে ধারণা করছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় থার্ড টার্মিনালের দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে তিনি জানান, এ দুর্ঘটনা তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার রাতে থার্ড টার্মিনালের ভেতরে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের সময় বিমানবাহিনীর একটি গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দোতলার র্যাম্প থেকে নিচে পড়ে যায়। এতে বাহিনীর তিন সদস্য নিহত ও অন্তত চারজন আহত হন। মঙ্গলবার বিকালে নিহতদের জানাজা শেষে মরদেহ নিজ নিজ গ্রামের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
সন্ধ্যায় বিমানবন্দরে দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিমানমন্ত্রী, “আসলে হয়েছে, তারা টার্নিংটা হয়তো ফাঁকা দেখে স্পিডটা বেশি ছিল, কন্ট্রোল করতে পারেনি। এটা আমার ধারণা। আর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এটা হয়েছে। তারপরেও যেহেতু তদন্ত কমিটি করা হয়েছে নিশ্চয়ই তারা সবকিছুই খতিয়ে দেখবে।”
তিনি বলেন, “আমরা যেভাবে শুনলাম যে, অ্যাক্সিডেন্টটা আসলে হয়েছে ড্রাইভারের ফল্ট অথবা…এখানে তো কিছু নাই একদম ফাঁকা জায়গা। গাড়িটা এদিকে টার্ন নেওয়ার সময় স্পিডটা বেশি ছিল, কন্ট্রোল করতে পারেনি। ডানদিকে ঘুরবে, ঘুরতে পারেনি সেটা ক্রস করে আন্ডার পাস যেটা আছে, সেটার নিচে পড়ে গেছে।
“আন্ডারপাসটা আমরা দেখলাম সবাই সেখানে সাধারণত গাড়ি যাওয়ারই কথা না, পড়ারও কথা না।”
রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, “আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম আজকে যে, থার্ড টার্মিনাল ওপেন হলে হয়তোবা অনেক লোক উৎসুক হয়ে নিচের দিকে তাকাবে এবং টার্মিনাল দেখার জন্য আসবে। অনেক বয়োবৃদ্ধ লোক বাচ্চা-কাচ্চারা আসতে পারে। তাদের জন্য এখনই ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমি নির্দেশ দিলাম, যাতে করে এটাকে প্রটেক্টিভ একটা মেজার নেওয়া হয়। যাতে সিকিউর থাকে। কেউ উঁকি দিয়ে পড়ার কোনো ঝুঁকি না থাকে।”
এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।