১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

রিমান্ড শেষে কারাগারে সালমান রহমান ও আবেদপুত্র সিয়াম

গত ২৬ নভেম্বর তাদের রিমান্ড মঞ্জুর হয়।

রিমান্ড শেষে কারাগারে সালমান রহমান ও আবেদপুত্র সিয়াম
আদালতে সালমান এফ রহমান।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 03 Feb 2026, 04:45 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:51 PM

জনতা ব্যাংক থেকে প্রায় ১৩৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমানকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

আর অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পিএসসির প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে আলোচিত সাবেক চেয়ারম্যানের গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকেও রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দুদকের পৃথক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এ আদেশ দেন ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ।

দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিচালক আমিনুল ইসলাম বলেন, “গত ২৬ জানুয়ারি সালমান এফ রহমান এবং সোহানুর রহমান সিয়ামের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজ তাদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়। আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছে।”

আমিনুল ইসলাম জানান, সালমান এফ রহমানের জামিনের আবেদন ছিল না। তবে সিয়ামের পক্ষে তার আইনজীবী রেজাউল করিম জামিন আবেদন করেন। আদালত জামিন শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন রেখেছেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, সালমান এফ রহমান ক্ষমতার অপব্যবহার করে ‘স্কাইনেট অ্যাপারেলস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের নামে ভুয়া ঋণ ও অ্যাকমোডেশন বিল তৈরি করে ১৩৭ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেন। এ জালিয়াতির সঙ্গে তার ছেলে ও ভাতিজার মালিকানাধীন দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।

আদালতে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম।

আদালতে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম।

গত বছরের ৩ নভেম্বর সালমান এফ রহমানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. মাহবুব মোর্শেদ।

সালমান এফ রহমান বর্তমানে ১৮টি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাবন্দি রয়েছেন বলে দুদক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ২০২৪ সালের ১৩ অগাস্ট সালমান এফ রহমানকে গ্রেপ্তারের কথা জানায় পুলিশ। তখন থেকেই তিনি কারাগারে আছেন। তবে তার ছেলে, ভাই ও ভাইয়ের ছেলের বিদেশে অবস্থানের কথা সংবাদমাধ্যমের খবরে এসেছে।

সিয়ামের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত বছরের ৫ জানুয়ারি মামলা করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক জাকির হোসেন। মামলায় ২০২১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত ৩৭ লাখ ৩০ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।