Published : 10 Sep 2026, 06:02 PM
আত্মহত্যার প্রবণতা দূর করতে পারস্পরিক মতবিনিময়ের মাধ্যমে নিজেদের সমস্যা ও অনুভূতিগুলো ভাগাভাগি করে নেওয়ার পরামর্শ দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
তিনি বলেছেন, “আত্মহত্যাকে ‘না’ বলতে হবে। একইসঙ্গে পিতা-মাতা ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। যেসব বিষয় পিতা-মাতা বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বলা সম্ভব হয় না, সেসব বিষয় বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করা যেতে পারে। এতে মানসিক চাপ ও হতাশা মোকাবিলায় সহায়তা পাওয়া সম্ভব।”
‘বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার ঢাকার ধানমন্ডিতে ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনে অ্যাসোসিয়েশন ফর ডিজএইবলড পিপল (এডিপি) ও রোটারি ক্লাব আহসান মঞ্জিল আয়োজিত সেমিনারে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “যত বড় বিপদই আসুক না কেন, জীবনের প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। জীবনে ব্যর্থতা আসবেই। ব্যর্থতায় হতাশ না হয়ে সাফল্য অর্জনের জন্য বারবার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। নিরন্তর প্রচেষ্টার মধ্য দিয়েই মানুষ উন্নতির শিখরে আরোহণ করতে পারে।
“আত্মহত্যার হার শূন্যের কোটায় নিয়ে আসতে সরকার কাজ করছে। আত্মহত্যা প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে সম্পৃক্ত করে একটি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।”
আত্মহত্যা প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
সেমিনারে শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নাজমুল হোসেন, এডিপির চেয়ারম্যান রওশন আরা জামান ও ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশনের অধ্যক্ষ আফরোজা শারমিন উপস্থিত ছিলেন।