১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

রাতে উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠক

“সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণের বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে,” বলেন উপদেষ্টা ফাওজুল।

রাতে উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠক
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের ফাইল ছবি।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 10 May 2025, 04:38 PM

Updated : 26 Aug 2026, 12:41 PM

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে শাহবাগসহ ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অবরোধের মধ্যে উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে।

শনিবার রাত ৮টায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান।

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে করণীয় নির্ধারণের বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে।”

উপদেষ্টা পরিষদের এ বৈঠক সরকারপ্রধানের বাসভবন যমুনায় অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের এক কর্মকর্তা।

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, জরুরি বৈঠকের বিষয়টি তাকে জানানো হয়েছে। তবে আলোচনার বিষয়বস্তু তিনি জানেন না।

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের দেশত্যাগের খবর নিয়ে আলোচনার মধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে সরকারপ্রধানের বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেন এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ নেতৃত্বাধীন একদল বিক্ষোভকারী।

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সংহতি প্রকাশ করেন জামায়াতে ইসলামী, এবি পার্টি, ইসলামী ছাত্রশিবির, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হেফাজতে ইসলাম এবং বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীসহ বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

শুক্রবার জুমার পর তারা মিন্টো রোডের প্রবেশ মুখে মঞ্চ বানিয়ে সেখানে সমাবেশ করেন। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন হাতে তাতে অংশ নেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা।

সেখান থেকে এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ শাহবাগ অবরোধের ঘোষণা দেন। বিকাল ৪টার পর আন্দোলনকারীরা শাহবাগের দিকে এগোতে থাকেন। ফলে তখন থেকে শাহবাগমুখী সবগুলো রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শনিবার বিকালে সেখানে গণজমায়েত কর্মসূচি রয়েছে।

শুক্রবার মিন্টো রোডের কর্মসূচি চলার মধ্যে প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর এক বিবৃতিতে বলেছে, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবি ‘গুরুত্বের সঙ্গে’ বিবেচনা করছে সরকার। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর আলোচনা করে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। ইতোমধ্যে মানবতাবিরোধী অপরাধের সঙ্গে জড়িত সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল আইনে ‘প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার’ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।