অর্ধ লাখের বেশি নদী দখলকারীর তালিকা হয়েছে: নৌ প্রতিমন্ত্রী
“এ পর্যন্ত ১৫ হাজারের বেশি অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদের তথ্য জেলা প্রশাসকরা কমিশনে পাঠিয়েছেন।”
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন দেশের ৫০ হাজারের বেশি অবৈধ নদী দখলকারীর পরিচয় প্রকাশ করেছে বলে জাতীয় সংসদে তথ্য দিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।
বুধবার সংসদের প্রশ্নোত্তরে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য দেন তিনি। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ইতোমধ্যে সারাদেশের অবৈধ দখলদারের সমন্বিত খসড়া তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে এবং জেলাভিত্তিক দখলদারদের তালিকা নদী রক্ষা কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। তাতে ৫০ হাজারের বেশি দখলদারের পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা নদীসহ বিভিন্ন নদীর ‘উল্লেখযোগ্য সংখ্যক’ অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদ করে নদীগুলো অনেকটা দখলমুক্ত করা হয়েছে। বাকিদেরও উচ্ছেদে কাজ চলছে।
“এ পর্যন্ত ১৫ হাজারের বেশি অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদের তথ্য জেলা প্রশাসকরা কমিশনে পাঠিয়েছেন। নদীভিত্তিক অবৈধ দখলদারের তালিকা ও উচ্ছেদ সংক্রান্ত অগ্রগতির তালিকা প্রণয়নের কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে। ৪৭টি জেলা থেকে তথ্য পাওয়া গেছে।”
২০২১ সালে নদী রক্ষা কমিশনের বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে তখনকার চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান হাওলাদার জানিয়েছিলেন, দেশের ৬৪ জেলায় সে সময় নদী দখলদারের সংখ্যা ছিল প্রায় ৬৩ হাজার।
১৪ বছরে ৪৫ ওষুধ কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল
জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৪৫টি ওষুধ (অ্যালোপ্যাথিক) কোম্পানির লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে।
দিদারুল আলমের আরেক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে শনাক্তকৃত এইচআইভি রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৭০৮ জন। এর মধ্যে ৬ হাজার ৭৫ জন চিকিৎসাধীন। মারা গেছেন ১ হাজার ৮২০ জন।
জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মসিউর রহমান রাঙ্গার প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, সারাদেশে অ্যালোপ্যাথিক, হারবাল, ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক জাতীয় ওষধ তৈরির ৯০২টি কারখানা আছে। এর মধ্যে অ্যালোপ্যাথিক ওষুধের কারখানা ৩০১টি।
দেশে ৩ লাখ ৩১ হাজার মসজিদ
সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য বেগম শামসুন নাহারের প্রশ্নের জবাবে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান জানান, করোনাভাইরাসের সময় কওমি মাদ্রাসা ও মসজিদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক অনুদান বিতরণের সময় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। সে হিসাবে সারা দেশে মসজিদের সংখ্যা ৩ লাখ ৩১ হাজার ১২৫টি এবং কওমি মাদ্রাসার সংখ্যা ১৩ হাজার ৯৬৭টি।
