১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস: ঢাকার প্রবেশপথে বাড়তি তল্লাশি, মোতায়েন থাকবে সোয়াট

ডিএমপি বলেছে, সম্ভাব্য নাশকতা, অপ্রীতিকর ঘটনা বা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা মোকাবিলায় রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস: ঢাকার প্রবেশপথে বাড়তি তল্লাশি, মোতায়েন থাকবে সোয়াট
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Aug 2026, 05:26 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:47 PM

জুলাই অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার রাজধানীর সব প্রবেশপথে তল্লাশি জোরদার করাসহ ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ–ডিএমপি।

মঙ্গলবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ডিএমপি জানিয়েছে, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘বহুমাত্রিক’ নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সম্ভাব্য নাশকতা, অপ্রীতিকর ঘটনা বা জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা মোকাবিলায় রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এর অংশ হিসেবে ঢাকার সব প্রবেশপথে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে রাজধানীজুড়ে পিকেট ও চেকপোস্টের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ ভেন্যুতে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) এবং ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন।

এ ছাড়া যেসব স্থানে সাধারণ মানুষের সমাগম বেশি হবে, সেখানে বিশেষ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সোয়াট, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং ডগ স্কোয়াডের মাধ্যমে সুইপিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

ডিএমপি জানিয়েছে, সব অনুষ্ঠানস্থল এবং জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ এলাকাকে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনার আওতায় আনা হয়েছে। 

এসব এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা ও ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানো হবে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সদস্যদের গোয়েন্দা তৎপরতাও অব্যাহত থাকবে।

যে কোনো জরুরি পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবিলার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) প্রস্তুত রাখার কথা বলা হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে। 

সেখানে বলা হয়, নিয়মিত মোতায়েনের পাশাপাশি ডিএমপির অতিরিক্ত সদস্যদের সঙ্গে র‌্যাব ও সিআইডির সদস্যরাও রাজধানীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে মাঠে সক্রিয় থাকবেন।

সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি মাঠে থেকে দায়িত্ব তদারকি করবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।