বারে ব্যবসায়ী খুন: ২ জনের ‘স্বীকারোক্তি’, ৫ জন কারাগারে
গত বৃহস্পতিবার তাদের তিন দিন করে রিমান্ড পেয়েছিল পুলিশ।
ঢাকার গুলশানে ব্লিস আর্ট লাউঞ্জ বারের বাউন্সার ও কর্মচারীদের মারধরে ব্যবসায়ী দবিরুল ইসলাম হত্যা মামলায় আদালতে ‘স্বীকারোক্তিমূলক’ জবানবন্দি দিয়েছে দুজন। অপর পাঁচ আসামিকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
তিন দিনের রিমান্ড শেষে রোববার সাতজনকে আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার পরিদর্শক এ বি সিদ্দিক। আসামি প্লাবন ও রাকিবের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড এবং বারের ব্যবস্থাপক শামিম আহমেদ সুমন, রাজু আহমেদ, তোফাজ্জল হোসেন তপু, কাউসার ও রুবেল মাহমুদকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়।
প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন জানান, আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর হাকিম জি এম ফারহান ইশতিয়াক আসামি প্লাবনের এবং আরেক মহানগর হাকিম আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জোনাইদ আসামি রাকিবের ‘স্বীকারোক্তিমূলক’ জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। অপর পাঁচ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকার অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর হাকিম ওয়াহিদুজ্জামান।
গত বৃহস্পতিবার তাদের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর হয় বলে জানিয়েছেন এসআই মোক্তার।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ১৪ অক্টোবর রাত ৩টার দিকে ব্যবসায়ী দবিরুল গুলশান-১ নম্বরের ব্লিস আর্ট লাউঞ্জ বারে যান। পরিবারের সদস্যরা রাতে তার ফোন বন্ধ পান। পরদিন ভোরে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে জানতে পারেন, তিনি গুলশান-১ নম্বরের একটি ভবনের পেছনের রাস্তায় পড়ে আছেন। পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথম স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় তার স্ত্রী নাসরিন আক্তার ২১ অক্টোবর গুলশান থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন, যা পরে হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়েছে।
