মাদক নির্মূলে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা জরুরি: রাষ্ট্রপতি
মাদকের কারণে বহু তরুণের জীবন নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপ্রধান।
দেশে মাদকের বিরুদ্ধে জোরালো সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে তরুণদের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বঙ্গভবনে বুধবার ঠাকুরগাঁও জেলার তরুণ মেধাবী শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘আহবান’-এর আহ্বায়ক লুকমান শারীফ এবং সদস্য সচিব ডা. তাহমিদ আহমেদের নেতৃত্বে ৩৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তাদের এ আহ্বান জানান বলে তথ্য রাষ্ট্রপতির প্রেস উইংয়ের।
রাষ্ট্রপতি বলেন, “মাদকের ভয়াবহতা থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করা না গেলে জাতির কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হয়। মাদকের কারণে বহু তরুণের সম্ভাবনাময় জীবন নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মাদক নির্মূলে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে একটি কার্যকর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। দেশের তরুণ প্রজন্মকে এই কাজে সম্পৃক্ত হতে হবে।”
রাষ্ট্রপতি এ সময় ‘আহবান’-এর উদ্যোগে আয়োজিত ঠাকুরগাঁও স্কুলভিত্তিক বিজ্ঞান উৎসব, প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণে ফুটবল টুর্নামেন্ট, চিকিৎসা শিবির, শীতবস্ত্র বিতরণ, জেন-জি কার্নিভালসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন।
ঠাকুরগাঁও জেলার সার্বিক উন্নয়নে তরুণদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।
‘ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্টে’
ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্টের সমন্বয়ক অধ্যাপক মাহমুদর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল বুধবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সাথে সাক্ষাৎ করে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেছেন, ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্ট দীর্ঘদিন ধরে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের চিকিৎসা সেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। তিনি নিজেও অনেক দরিদ্র রোগীকে ওই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়েছেন এবং প্রতিষ্ঠানটি তাদের চিকিৎসাসেবায় সহযোগিতা করেছে। এ জন্য ট্রাস্টের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবার বিষয়ে সহযোগিতা কামনা করা হলে রাষ্ট্রপতি প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এছাড়া আগামী ৩০ নভেম্বর রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিতব্য এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানান তারা। রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন।
