১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

ডিজিটাল অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ে ভয়েস’র কর্মশালা

কর্মশালায় ডিজিটাল অধিকার, ইন্টারনেট বন্ধের প্রভাব এবং নিরাপদে অনলাইনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 19 Jul 2025, 08:44 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:24 PM

ডিজিটাল অধিকার, নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ নিশ্চিত করা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা বিষয়ক কর্মশালা করেছে গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান ‘ভয়েস’। 

রাজধানীর লালমাটিয়ার এনজিও ফোরাম ফর পাবলিক হেলথে শনিবার কর্মশালা হয়েছে বলে ভয়েস এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।

কর্মশালায় ডিজিটাল অধিকার, ইন্টারনেট বন্ধের প্রভাব এবং নিরাপদে অনলাইনে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। সেখানে মূল বক্তব্য তুলে ধরেন ভয়েসের উপ-পরিচালক মুশাররাত মাহেরা।

কর্মশালায় ইউএনডিপির স্যোশাল প্রোটেকশন পলিসি সাপোর্ট প্রোগ্রামের যোগাযোগ বিষয়ক জ্যেষ্ঠ পরামর্শক এস এম মনজুর রশীদ বলেন, “ডিজিটাল সচেতনতা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে শিক্ষার্থী, মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক ও উন্নয়নকর্মীদের একসঙ্গে কাজ করে একটি ক্যাম্পেইন গড়ে তোলা দরকার। বিশেষ করে নির্বাচনের আগে যাতে এই ইস্যুটি নীতিনির্ধারকরা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এবং রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করে।”

‘ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর নট-ফর-প্রফিট-ল’ এর আইন বিষয়ক পরামর্শক শারমিন খান বলেন, “আমাদের আইনগুলোকে আন্তর্জাতিক মান ও নির্দেশিকার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে হবে। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বিভিন্ন খাতের মানুষ যেমন শ্রমিক, তৃণমূল জনসাধারণের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে, যেন তারা তাদের চাহিদার কথা জানাতে পারেন। কেবল তখনই আইনগুলো মানবাধিকারভিত্তিক হবে।”

ঢাকা ট্রিবিউন পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক রিয়াজ আহমদ বলেন, “যারা ডিজিটাল অধিকার সম্পর্কে সচেতন এবং যারা সচেতন নন, এই দুই শ্রেণির মধ্যে যথেষ্ট ব্যবধান রয়েছে। বিশ্বাসযোগ্য উৎস ছাড়াই তথ্য শেয়ার করা ডিজিটাল পরিসর ও অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে বড় একটি প্রতিবন্ধকতা।”

ভয়েসের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ বলেন, “ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাও কার্যকর হয় না। এই দুটি অধিকার একে অপরের পরিপূরক।”