Published : 29 Jun 2026, 12:24 AM
‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা’ নামে হোক বা অন্য কোনো নামে আগামী অর্থবছরেই তিস্তা নদীর বিভিন্ন সমস্যার স্থায়ী সমাধানে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
তিনি বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরে তিস্তা এবং বাংলাদেশের সামগ্রিক নদী ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। চীন ফিজিবিলিটি স্টাডি ও কারিগরি সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছে।”
রোববার জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের এই সংসদ সদস্য।
সম্প্রতি তিস্তা পাড়ে যাওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার কথা হওয়ার তথ্য দেন এ্যানি। বলেন, “তিস্তা অববাহিকার মানুষের জন্যও প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ছিল। তিনি বলেছেন, ‘তিস্তা অববাহিকার পাড়ে যারা বসবাস করেন, ওই দুই কোটি মানুষকে আশ্বস্ত করে আসবেন, আমরা এই অর্থবছরে তিস্তা মহাপরিকল্পনা নামে হোক আর অন্য যে কোনো নামে হোক, তা বাস্তবায়ন করবই’।”
পদ্মা ব্যারাজকেও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন হিসেবে বর্ণনা করেন পানিসম্পদ মন্ত্রী।
তিনি বলেন, “মাথাভাঙ্গা, ইছামতী, বড়াল ও বারাসিয়াসহ কয়েকটি নদীর সঙ্গে পদ্মার সংযোগ বাধাগ্রস্ত হওয়ায় জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। লবণাক্ততার প্রভাবে কৃষি ও সুন্দরবনের প্রতিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”
খুব শিগগির দরপত্র প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে পদ্মা ব্যারাজের কাজ শুরু হবে বলেও সংসদকে অবহিত করেন তিনি।
এছাড়া পানিসম্পদ মন্ত্রী খাল খনন ২৫ হাজার কিলোমিটারে নেওয়ার চেষ্টা, ফ্যামিলি কার্ড ও বাজেট বিষয়ে কথা বলেন। বিরোধী দলের উদ্দেশে রাজনৈতিক ঐক্যের আহ্বানও তুলে ধরেন তিনি।