Published : 27 Aug 2026, 10:42 PM
ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে এক আইনজীবীর ওপর হামলার ঘটনায় ১০ জনের নাম উল্লেখ ও ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা হয়েছে।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালতে বৃহস্পতিবার ভুক্তভোগী ওই আইনজীবী মোহাইমিনুল ইসলাম খান এ মামলার আবেদন করেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী আবু-আদ নাহিদ বলেন, “আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে অভিযোগটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোতোয়ালি থানায় এজাহার হিসেবে গণ্যের আদেশ দিয়েছেন। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।”
মামলায় যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন- উম্মে হাফসা তন্বী, হুমায়ুন কবির, আশরাফুল আলম খান, মাহাবুব আলম খান, শাহাদাত হোসেন, জিদান, মো. মোহিবুল্লাহ, রায়হান, খালেদ সাইফুল্লা নাঈম ও আরমান হোসেন।
শুনানিকালে ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল কালাম খান, সাবেক সিনিয়র সহ-সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হাসান মুকুল, লাইব্রেরি সম্পাদক মাকসুদুল হাসান সবুজ বাদীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়, গত মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১২টার দিকে মোহাইমিনুল ইসলাম খান যৌতুক নিরোধ আইনের একটি মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে শুনানি শেষ করেন। এরপর মক্কেলদের নিয়ে চেম্বারে ফেরার পথে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের হাজতখানার সামনে তাদের ওপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়।
প্রথম চার আসামির মদদে ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা আইনজীবীকে হত্যার উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধ আক্রমণ চালায়। এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারা হয়। মোহাইমিনুল ইসলামের চিৎকারে আদালত প্রাঙ্গণে থাকা সাধারণ মানুষ ও আইনজীবীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। এ সময় উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় হামলাকারী ৬ জনকে ধরে ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে তাদের অন্য সহযোগীরা পালিয়ে যায়।
পরবর্তীতে আটক আসামিদের ছাড়িয়ে নিতে পলাতক ব্যক্তিরা আরও ২০-২৫ জন অজ্ঞাত সন্ত্রাসী নিয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনের তৃতীয় তলায় ঢুকে আবার অতর্কিত হামলা চালায় বলে উল্লেখ করা হয়।