Published : 28 Apr 2026, 02:32 PM
মাঠে থাকা সেনা সদস্যদের ‘ধীরে ধীরে’ প্রত্যাহার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ে কোস্ট গার্ডের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। আপনি কি মনে করেন, মাঠে সেনাবাহিনীর আরও থাকার প্রয়োজন আছে? কবে নাগাদ তাদের প্রত্যাহার করা হতে পারে?
জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আপনার কাছে হয়তো ইনফরমেশনটা... আপনি হয়তো আপ টু ডেট না। আমরা গ্র্যাজুয়াল উইথড্রয়ালের মধ্যে আছি। অল অন এ সাডেন পুরা ফোর্সকে উইথড্রয়াল করা যায় না। গ্র্যাজুয়াল আমরা উইথড্রয়ালের মধ্যে আছি।
“আপনারা দেখতে পাবেন খুব শীঘ্রই মাঠ থেকে তাদেরকে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার যেটা আছে, সেটা খুব সীমিত সংখ্যায় নিয়ে আসা হবে।”
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এও বলেন, “সবসময় দেশে বিদ্যমান আইন অনুসারে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের যে ফাংশনটা আছে, সেটা ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের চাহিদা অনুসারে, সরকারের চাহিদা অনুসারে সবসময় তারা কাজ করে, সেটা সামনেও করবে।
“বাট যে ডিপ্লয়মেন্টটা হয়েছে ১৫ অগাস্টের পরে আইনশৃঙ্খলাকে সমুন্নত রাখার জন্য, জনগণের নিরাপত্তার জন্য, সেটা অনেকাংশে এখন সীমিত এবং উইথড্রয়াল করা হয়েছে। এটা গ্র্যাজুয়ালি উইথড্র করা হচ্ছে, খুব শীঘ্রই সেটা পুরোটাই উইথড্রয়াল হবে। তবে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার দে উইল বি অলওয়েজ দেয়ার, অলওয়েজ দেয়ার।”
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার আগে থেকে সারাদেশে মোতায়েন ছিল সেনাবাহিনী।
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট সরকার পতনের পর কারফিউ তোলা হলেও বিপর্যস্ত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে সেনা সদস্যদের মাঠ পর্যায়ে রেখে দেওয়া হয়। পরে যৌথবাহিনীর হয়ে অভিযানেও নামে।
উদ্ভূত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেওয়া হয় সশস্ত্র বাহিনীকে। পরে নৌ ও বিমান বাহিনীসহ কমিশন কর্মকর্তাদেরও একই ক্ষমতা দিয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
এরপর দফায় দফায় তাদের ক্ষমতার মেয়াদ বাড়ানো হয়। এরপর ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে অন্যান্য বাহিনীর সঙ্গে মাঠে থাকে সেনাবাহিনী।