১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মিমোর ‘আত্মহত্যায় প্ররোচনা’: শিক্ষক সুদীপকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন

রোববার সকালে ওই শিক্ষার্থীকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

মিমোর ‘আত্মহত্যায় প্ররোচনা’: শিক্ষক সুদীপকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন
মুনিরা মাহজাবিন মিমো

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Apr 2026, 11:42 AM

Updated : 26 Aug 2026, 03:29 PM

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মুনিরা মাহজাবিন মিমোর আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছে পুলিশ।

সোমবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাড্ডা থানার এসআই কাজী ইকবাল হোসেন এ আবেদন করেন। এ বিষয়ে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে শুনানি হবে।

এসআই ইকবাল হোসেন বলেন, আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হয়েছে। প্রয়োজনে পরবর্তীতে রিমান্ড আবেদন করা হবে।

কারাগারে আটক রাখার আবেদনে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তর বাড্ডার এলাকায় অভিযান পচিালনা করে রোববার বিকাল ৩টা ২০ মিনিটের দিকে সুদীপকে আটক করা হয়। পরে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে আসামির বিরুদ্ধে মামলার ঘটনায় জড়িত থাকার ‘তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে’। 

ন্যায় বিচারের স্বার্থে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখা দরকার জানিয়ে আবেদনে বলা হয়, তদন্তের স্বার্থে ভবিষ্যতে তার রিমান্ডের প্রয়োজন হতে পারে।

মুনিরা মাহজাবিন মিমো ছিলেন ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। পরিবারের সঙ্গে বাড্ডার বাসায় থাকতেন মিমো।

রোববার সকালে নিজের ঘর থেকে ওই শিক্ষার্থীকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। তার কক্ষ থেকে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। 

সেখানে লেখাছিল, “সুদীপ স্যারকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে। হানি আর সুদীপ স্যার ভালো থাকো। স্যারের দেওয়া গিফটগুলো ফেরত দেওয়া...।”

দুপুরের দিকে শিক্ষার্থীর বাবা আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে সুদীপ চক্রবর্তীকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।