শিক্ষা-স্বাস্থ্যের ভবন নির্মাণে ছাড়, অন্য মন্ত্রণালয়ের ভবন তৈরি বন্ধ
ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের প্রাথমিক প্রাক্কলন পাওয়ার পর দ্রুত অর্থ ছাড় হবে।
চলতি অর্থবছর সরকারের পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয় কমানোর অংশ হিসেবে যে পরিপত্র দিয়েছিল অর্থ মন্ত্রণালয়, সেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট ভবন নির্মাণে ছাড় দিয়েছে সরকার।
প্রায় দুই দশক পর ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষিকে গুরুত্ব দিয়ে আসার কথা বলেছিল; এবার তারই ধারাবাহিকতায় সরকারের ব্যয় সংকোচনের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতা আনা হল।
মঙ্গলবার পুরনো পরিপত্রের মধ্যে দুটি শর্ত শিথিল করে নতুন করে প্রতিস্থাপন করার কথা বলা হয়েছে।
সেখানে বলা হয়েছে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট স্থাপনা ব্যতীত নতুন আবাসিক, অনাবাসিক বা অন্যান্য ভবন স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ থাকবে।
চলতি অর্থবছরের ৮ জুলাই সরকার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরকারি অর্থে বিদেশে সব ধরনের সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কর্মশালায় অংশগ্রহণে নিষেধাজ্ঞা চালু রেখে পরিপত্র জারি করে।
সেখানে নতুন আবাসিক হোক বা অনাবাসিক বা অন্য যেকোনো ভবন স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ রাখার কথাও তুলে ধরা হয়।
নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের ক্ষেত্রে ছাড় মিলল।
এছাড়াও আগের মত কেবল চলমান নির্মাণ কাজ যদি ন্যূনতম ৭০ শতাংশ সম্পন্ন হয়ে থাকে তাহলে বাকিটুকু শেষ করার জন্য অর্থ বিভাগের অনুমোদন নিয়ে অর্থায়ন করার সিদ্ধান্ত অপরিবর্তিত রয়েছে।
তখন ভূমি অধিগ্রহণ খাতেও বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয় বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল।
নতুন সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে প্রত্যাশী সরকারি সংস্থা ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাবের সময় জেলা প্রশাসকের চাহিদার প্রেক্ষিতে এ বাবদ অর্থ বরাদ্দ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ প্রত্যয়ন প্রদান করবে। এবং সেক্ষেত্রে জেলা প্রশাসকের প্রাথমিক প্রাক্কলন পাওয়ার পর দ্রুত অর্থ ছাড় হবে।
আগের খবর:
