১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ঢাকায় চীনা চিকিৎসক দল

চীনের চিকিৎসকরা শুক্রবার সকাল থেকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া শুরু করবেন।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 25 Jul 2025, 01:00 AM

Updated : 26 Aug 2026, 01:26 PM

উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে জঙ্গিবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধদের চিকিৎসা সহায়তা দিতে ঢাকায় এসেছে পাঁচ সদস্যদের চীনা চিকিৎসক ও নার্স দল।

বৃহস্পতিবার রাতে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তাদের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা জানায় ঢাকার চীনা দূতাবাস।

বিমানবন্দরে এই চিকিৎসা দলকে স্বাগত জানান বাংলাদেশে চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গ্লোবাল হেলথ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অনুবিভাগের প্রধান সৈয়দা জেসমিন সুলতানা মিল্কি।

চীনের দূতাবাস জানিয়েছে, চিকিৎসা দলটি এসেছে দেশটির হুবেই প্রদেশেন উহান থার্ড হসপিটাল থেকে। শুক্রবার সকাল থেকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসা সহায়তা দেওয়া শুরু করবেন তারা।

সোমবার উত্তরার দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে আছড়ে পড়ে বিমান বাহিনীর জঙ্গি বিমান। বিধ্বস্তের পরই আগুন ধরে যাওয়ায় দগ্ধ হয়ে এখন পর্যন্ত ৩১ জনের প্রাণ গেছে, যাদের বেশির ভাগই শিশু।

আহতদের চিকিৎসা সহায়তা দিতে ভারত থেকে আসা বিশেষজ্ঞ দল বৃহস্পতিবার বার্ন ইনস্টিটিউটে গিয়ে রোগীদের খোঁজখবর নিয়েছে। ভারত-চীনের বাইরে সিঙ্গাপুর থেকেও একটি চিকিৎসক দল এসেছে। 

বৃহস্পতিবার আরেক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে চীন দূতাবাস জানিয়েছে, এদিন সকালে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দিয়েছেন চীনের কুনমিংয়ের একটি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বাংলাদেশের অনুরোধে, জরুরি ভিত্তিতে একটি চিকিৎসক দলের পরামর্শ পাওয়ার ব্যবস্থা করেছে চীনের ইউনান প্রদেশ। 

“বৃহস্পতিবার সকালে কুনমিং মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকেন্ড অ্যাফিলিয়েটেড হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের চিকিৎসকদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এক যৌথ চিকিৎসা পরামর্শ সভায় অংশ নেন।”

চীন দূতাবাস বলছে, ভিডিও কনফারেন্সে গুরুতর কয়েকজন রোগীর অবস্থা পর্যালোচনা করা হয়। এতে চীনা চিকিৎসকদের মধ্যে বার্ন চিকিৎসা, প্লাস্টিক সার্জারি, শিশু নেফ্রোলজি এবং শিশু শ্বাসযন্ত্রের রোগ বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন। 

“তারা বাংলাদেশি চিকিৎসকদের সঙ্গে মিলে রোগীদের অবস্থা বিশ্লেষণ করেন এবং সম্ভাব্য চিকিৎসা পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।”