Published : 18 Aug 2026, 09:06 PM
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং দুই কমিশনার জাহাঙ্গীর আলম খান ও সাজ্জাদ হোসেন কর্মক্ষেত্রে যোগদানের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করেছেন।
বুধবার তারা দুদক কার্যালয়ে তাদের দায়িত্ব শুরু করবেন।
মঙ্গলবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যোগদানের কথা জানিয়ে জাহাঙ্গীর আলম খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কাল সকালে অফিস করব ইনশাল্লাহ।”
দুদক সচিব সাইদুর রহমান খান খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, দুপুর ২টার দিকে তারা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যোগদান করেছেন। বুধবার থেকে তারা দুদক কার্যালয়ে এসে দায়িত্ব পালন শুরু করবেন।
এ কে এম আসাদুজ্জামান আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি। দুই কমিশনারের মধ্যে জাহাঙ্গীর আলম ছিলেন সচিব; ফাইন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ছিলেন সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া।
আগের কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজ আহসান ফরিদ গত ৩ মার্চ পদত্যাগ করেন।
সেদিনই রাষ্ট্রপতি তাদের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। এরপর ১৬৬ দিন নেতৃত্বশূন্য থাকার পর সোমবার নতুন চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার পায় দুদক।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৬(১) ধারা অনুযায়ী তিনজনকে প্রথমে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরে একই আইনের ৫(১) ধারা অনুযায়ী তাদের মধ্য থেকে বিচারপতি আসাদুজ্জামানকে চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
দুদক আইন অনুযায়ী, যোগ দেওয়ার দিন থেকে তারা পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন করবেন।
দুদক কমিশন গঠনের জন্য গত ২২ জুন পাঁচ সদস্যের বাছাই কমিটি গঠন করে সরকার। আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বে ওই কমিটি চেয়ারম্যান ও কমিশনার পদের জন্য নাম সুপারিশ করে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দুদক চেয়ারম্যানের বেতন, ভাতা, অন্যান্য সুবিধা ও পদমর্যাদা হবে আপিল বিভাগের একজন বিচারকের সমান। অন্য দুই কমিশনার হাই কোর্ট বিভাগের বিচারকের সমান বেতন, ভাতা, সুবিধা ও পদমর্যাদা পাবেন।