১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

এক যুগ পর আয়কর আপিল ট্রাইব্যুনালে দুই বিচারক

২০১৩-২০১৪ অর্থবছরের পর এই প্রথম বিচার বিভাগীয় কেউ আয়কর আপিল ট্রাইবুন্যালের সদস্য হলেন।

এক যুগ পর আয়কর আপিল ট্রাইব্যুনালে দুই বিচারক
ফাইল ছবি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 08 Oct 2024, 08:50 PM

Updated : 26 Aug 2026, 10:37 AM

অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন আয়কর আপিলাত ট্রাইবুন্যালের সদস্য হিসেবে দুজন জেলা জজ যোগ দিয়েছেন, যা প্রায় গত এক যুগে দেখা যায়নি। 

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এই তথ্য দিয়েছে।

এতে বলা হয়, কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর কমিশনার, জেলা জজ, চার্টার্ড অ্যাকাউন্টট্যান্ট, কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্টে অ্যাকাউন্টট্যান্ট, অ্যাডভোকেট ও কর আইনজীবীদের আয়কর আপিলাত ট্রাইবুন্যালের সদস্য পদে নিয়োগ দেওয়ার বিধান থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে শুধু কর্মরত কর কমিশনাররা এই দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

আয়কর আইন অনুযায়ী, কর ক্যাডারের বাইরে আয়কর পেশাজীবীদের আপিল ট্রাইবুন্যালের সদস্য হিসেবে নিয়োগের জন্য করদাতারা অনেক দিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

২০১৩-২০১৪ অর্থবছরের পর কোনো বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা আয়কর আপিলাত ট্রাইবুন্যালের সদস্য হননি; প্রায় এক যুগ পর তারা সেখানে ফিরলেন। 

নিয়োগ পাওয়া জেলা জজ মোহাম্মদ সামছুল হক ২২তম বিসিএসের মাধ্যমে জুডিসিয়াল সার্ভিসে যোগ দেন এবং জেলা ও দায়রা জজ পদে পদোন্নতি পেয়ে যশোর জেলার বিশেষ জজ (জেলা ও দায়রা জজ) হিসেবে কাজ করেন।

ইতোপূর্বে তিনি বিভিন্ন জেলায় দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলাসহ দুর্নীতি দমন কমিশনের মামলা পরিচালনা করার পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদেও কাজ করেছেন। তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।

মোহাম্মদ আনিসুর রহমান ২৪তম বিসিএস এর মাধ্যমে জুডিসিয়াল সার্ভিসে যোগ দেন, যিনি ইতোপূর্বে জেলা ও দায়রা জজ পদে পদোন্নতি পেয়ে ময়মনসিংহের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন পদে বিচারিক দায়িত্ব পালন করেছেন। 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে প্রথম শ্রেণিতে স্নাতক এবং যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ইয়র্ক থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন আনিসুর রহমান। 

অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ মনে করে, এই নিয়োগের মাধ্যমে আয়কর আপিলাত ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম অধিকতর গতিশীল হবে, আয়কর বিভাগের প্রতি করদাতাদের আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের রাজস্ব আদায়ে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।