Published : 25 Jan 2026, 08:49 PM
তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ এর খসড়া অধ্যাদেশে আরো ছয়টি বিষয়ে সংশোধনী আনার আহ্বান জানিয়েছে তথ্য অধিকার ফোরাম।
এর মধ্যে তথ্যের সংজ্ঞা, কর্তৃপক্ষের আওতা বাড়ানো ও জরিমানার বিষয়টি অন্তর্ভুক্তির কথা বলা হয়েছে।
রোববার ফোরামের বিবৃতিতে বলা হয়, “তথ্য অধিকার আইন দেশের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটা আইন। এই আইন দ্বারা একদিকে নাগরিকের তথ্য লাভের অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে কর্তৃপক্ষকেও যাবতীয় তথ্য সংরক্ষণ এবং স্বপ্রণোদিতভাবে তথ্য দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।”
তথ্য অধিকার ফোরাম মনে করে, “আইনটির ব্যবহার বাড়াতে ও কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে আইনের সুফল অর্জন করতে আইনের প্রয়োজনীয় সংশোধন করা জরুরি।
“ফোরাম জানতে পেরেছে উপদেষ্টা পরিষদ তথ্য অধিকার আইন সংশোধন করতে একটি অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে।”
এ অবস্থায় ফোরামের দৃষ্টিতে ‘অতি জরুরি’ মনে হওয়া ছয়টি সংশোধনী অধ্যাদেশে অন্তর্ভুক্ত করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় বিবৃতিতে।
এসব সংশোধনীর মধ্যে রয়েছে— তথ্যের সংজ্ঞায় ‘নোট সিট’ অন্তর্ভুক্ত করা; সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, বা স্থানীয় সরকার সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান শব্দগুলো যুক্ত করে কর্তৃপক্ষের আওতা বাড়ানো; তথ্য কমিশনের পরে ‘বাংলাদেশ’ শব্দটি যুক্ত করা এবং প্রধান তথ্য কমিশনার ও তথ্য কমিশনারদের পদ শূন্য হলে ৪৫ দিনের মধ্যে নিয়োগ দেওয়া।
প্রধান তথ্য কমিশনার ও তথ্য কমিশনারদের পদমর্যাদা ও পারিশ্রমিক যথাক্রমে আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের অনুরূপ করা এবং কমিশনে জবাবদিহিতার জন্য জরিমানার বিধান যুক্ত করার কথাও রয়েছে বিবৃতিতে।