১৬ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩
লেখক ও সাংবাদিক ষড়ৈশ্বর্য মুহম্মদের জন্ম ১৯৭৭ সালে ময়মনসিংহে। পড়াশোনা করেছেন বাংলাভাষা ও সাহিত্যে। লেখালেখির শুরু ছোটগল্প দিয়ে নব্বই দশকের শেষার্ধে। প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘আলো অন্ধকারে আলো অন্ধকারের যাত্রা’ প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। অনুবাদ করেছেন ‘জাকারিয়া তামেরের গল্প’, ‘কো উনের কবিতা’, থিওডর হার্ৎজেলের ‘ইহুদি রাষ্ট্র’, ভিক্টর ফ্রাঙ্কলের ‘মর্মের সন্ধানে মানুষ’, সৈয়দ সিবতে হাসানের ‘প্রাচীন সমাজে ধর্মনিরপেক্ষতা’সহ আরো বেশকিছু গ্রন্থ। সম্পাদনা করেছেন ‘কোরিয়ার গল্প’। লেখালেখিতে অবিরাম বিচরণের জায়গা গল্প, গদ্য ও অনুবাদ। সামাজিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষণ নিয়ে হাজির থাকেন পত্রপত্রিকা, অনলাইন ও টেলিভিশনে। সাংবাদিকতা করছেন ২০০৩ সাল থেকে দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন পত্রিকা ও টেলিভিশনে। বর্তমানে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান উজানের সঙ্গে যুক্ত।
জাতীয় স্মৃতি নিয়ে খেলতে গেলে স্মৃতিও পাল্টা প্রতিরোধও গড়ে তোলে, পাল্টা খেলে দেয়। তার প্রমাণ কিন্তু নিকট অতীতেই আছে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বেশি খেলতে গিয়ে যেটা করেছে আওয়ামী লীগ।
নির্বাচন শুধু ভোটের দিন নয়, এটি একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া। কিন্তু শর্ত, ভয়, প্রোপাগান্ডা ও কাঠামোগত সীমাবদ্ধতায় এবারের নির্বাচন কি সত্যিই অংশগ্রহণমূলক হতে পারছে?
এই জীবনের জন্য কোনো শোক থাকে না, থাকে শুধু শ্রদ্ধা, থাকে শুধু অম্লান স্মৃতি, যে স্মৃতি ক্রমশ উজ্জ্বল হতে থাকে, হতে থাকে জীবন্ত, হয়ে উঠতে থাকে মরে যাওয়া ব্যক্তির ব্যক্তিত্বেরই এক ইহলৌকিক নতুন সত্তা। সেই সত্তাই আমাদের মাঝে রেখে গেলেন আমাদের প্রিয় যতীন সরকার।
আমাদের গণ-হতাশার একটা বড় জায়গা জুড়ে আছে আওয়ামী লীগ আর বিএনপি। জনগণের অধিকাংশই মনে করে যে বড় দুই দলের বাইরে তাদের কোনো রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নেই। তাই এই দুই দলের বাইরে গিয়ে ছোট দলগুলোকে কোনোভাবেই নিজেদের মনে জায়গা দিতে চায় না জনগণ।
মাত্র এক মাসের বৈপ্লবিক পরিস্থিতি দিয়ে সব অর্জন হয়ে গেছে, সব সাফল্য এসে গেছে, সব পেয়েছির দেশে এসে পৌঁছেছেন, এমন ভাববেন না। ব্যাপারটা অত সোজা না।