০৮ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
একজন সমাজমনস্ক গবেষক ও লেখক, যিনি ২০০৬ সাল থেকে বাংলা ব্লগ জগতে সক্রিয়ভাবে লেখালেখি করে আসছেন। তিনি ইংরেজি সাহিত্যে শিক্ষাগ্রহণ শেষে ঢাকায় বসবাস শুরু করেন এবং দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক অর্থনীতি, সামাজিক আন্দোলন এবং বিকল্প রাজনৈতিক চেতনার বিকাশ নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। মানবাধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং বৈশ্বিক ন্যায়বিচার সম্পর্কিত চিন্তাভাবনা তার লেখার প্রধান বিষয়।
বর্তমানে প্রধান দলগুলোর চরিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ডানবিরোধী অবস্থান মানেই তা বাম নয়, বরং তা এক ধরনের ‘সহনশীল ডান’। এদেরকে আপাতদৃষ্টিতে প্রগতিশীল মনে হলেও তাদের চর্চায় ডানের ছাপ স্পষ্ট।
ওসমান হাদির ওপর গুলি বাংলাদেশে রাজনৈতিক সহিংসতার পর গল্পই যে বড় অস্ত্র—এটি আরও একবার প্রমাণ করল।
গণঅভ্যুত্থান যেমন কর্তৃত্ববাদী শাসন ভেঙে নতুন সম্ভাবনা জাগিয়েছে, তেমনি শূন্যস্থানে জায়গা দখল করছে ডানপন্থী ও সাম্প্রদায়িক শক্তি। কেন প্রগতিশীল রাজনীতি জনগণের আশা ও ত্যাগকে সংগঠিত করতে পারছে না—এই প্রশ্নই আজ সবচেয়ে জরুরি।
বাংলাদেশের ইতিহাস বারবার প্রমাণ করেছে রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে, কিন্তু দেশ টিকে থেকেছে মানুষের শক্তিতে। জুলাই অভ্যুত্থান ওই রাষ্ট্রকে নতুন করে সাজানোর সম্ভাবনা দেখিয়েছিল, কিন্তু তা ধ্বংস করেছে উগ্রবাদ।
এখন যারা ভিন্নমত পোষণ করেন বা ক্ষমতার অপব্যবহার তুলে ধরেন, তাদের ওপর হামলা চালায় ‘মব’। রাষ্ট্র এখন আর নিজ হাতে দমন করে না বরং ‘সামাজিক শাস্তি’র পরিবেশ তৈরি করে দেয়।
ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ভারতীয় উপমহাদেশে ১৮৬০ সালে আয়কর ব্যবস্থা চালু হয়—সিপাহী বিদ্রোহের খরচ মেটাতে। উপনিবেশবাসীরা কোনো রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব ছাড়াই করের বোঝা বহন করলেও, ব্রিটেনে স্থায়ী আয়কর চালু হয় অনেক পরে, ১৯১৪ সালে।