১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

ভোটে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড না থাকায়’ সিলেটে অনশনে সিপিবি প্রার্থী

রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই।’

সিলেট প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 08 Feb 2026, 04:01 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:54 PM

নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ না থাকা ও প্রশাসনের ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ আচরণের অভিযোগে প্রতিবাদী অনশনে বসেছেন সিলেট-১ আসনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার হোসেন সুমন।

রোববার সকালে সিলেট নগরীর চৌহাট্টা এলাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনশন শুরু করেন কাস্তে প্রতীকের এই প্রার্থী। 

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকালে শহীদ মিনারে সংবাদ সম্মেলনে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত না হলে আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন আইনজীবী আনোয়ার হোসেন সুমন। 

বর্তমান নির্বাচনি পরিস্থিতিতে প্রশাসনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে উঠেছে জানিয়ে সিপিবি প্রার্থী অভিযোগ করেন, “আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ দেখিয়ে তার নির্বাচনি প্রচারণার বৈধ বিলবোর্ড অপসারণ করা হলেও একই ধরনের বা আরও গুরুতর অনিয়ম অন্য প্রার্থীদের ক্ষেত্রে উপেক্ষা করা হচ্ছে।

“সিলেট মহানগরের অন্তত দুজন প্রার্থী আচরণবিধি ভঙ্গ করে প্রতিটি ওয়ার্ডে দুই থেকে তিনশ করে বিলবোর্ড স্থাপন করেছেন; যা প্রকাশ্য হলেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।” 

তিনি বলেন, “নগরীর বিভিন্ন এলাকায় বৈদ্যুতিক খুঁটি ও গাছে ফেস্টুন লাগানো, নির্ধারিত আকারের চেয়ে বড় পোস্টার ও ব্যানার ব্যবহার এবং সিএনজিচালিত অটোরিকশায় পোস্টার লাগানোর মতো একাধিক অনিয়ম দীর্ঘদিন ধরে চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় নীরব ভূমিকা পালন করছে।”

আনোয়ার হোসেন সুমনের অভিযোগ, “নির্বাচনি আচরণবিধি সবার জন্য সমানভাবে প্রয়োগ না হলে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে না। এক প্রার্থীর ক্ষেত্রে আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে, আর অন্যদের ক্ষেত্রে তা উপেক্ষা করা হচ্ছে এটি সরাসরি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের পরিপন্থী।”

সিপিবি প্রার্থী জানান, “প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট ও লিখিত আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত তিনি এই প্রতিবাদী অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন। একই সঙ্গে তিনি অবিলম্বে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত ও সবার জন্য সমান আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।”

তবে এই অভিযোগের বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বলেন, “এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই।”