Published : 26 May 2013, 02:22 AM

আদাবর এলাকায় সকাল ৭টার দিকে পাঁচটি হাতবোমা ফাটানো হয় বলে আদাবর থানা পুলিশ জানায়। তবে পুলিশ তাউকে আটক করতে পারেনি।
কাছাকাছি সময়ে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরের কাছে একটি বাস ভাংচুর করা হয় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
এছাড়া বিমানবন্দর এলাকায় ছাত্রদলের মিছিল থেকে একটি অটোরিকশা ভাংচুরের খবর পাওয়া গেছেও পুলিশ বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেনি।
এর বাইরে সকালের প্রথম ভাগে রাজধানীতে বড় ধরনের বড় কোনো গোলোযোগের খবর পাওয়া যায়নি।
সকাল থেকেই রাজধানীতে রিকশা ও অটোরিকশা চলাচল করছে। গণ পরিবহনও চলতে দেখা গেছে বিভিন্ন সড়কে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সড়কে যানবাহনের সংখাও বাড়ছে
হরতালের কারণে গাবতলী, মহাখালী ও সায়েদাবাদ থেকে দূর পাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক বলে কমলাপুর স্টেশনের ম্যানেজার মো. খায়রুল বশীর জানান।
হরতালে বিশৃঙ্খলা এড়াতে ভোর থেকেই রাজধানীর প্রতিটি সড়কে অবস্থান নেন পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা। নাশকতায় জড়িতদের তাৎক্ষণিক সাজা দিতে রয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালতও।
ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র মাসুদুর রহমান বলেন, “জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ তৎপর রয়েছে। উত্তরা, মতিঝিল, পল্লবী, রমনা, ওয়ারিসহ আটটি স্পটে বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।”
অন্যান্য হরতালের মতো রোববারও ভোর থেকেই নয় পল্টনে বিএনপি কার্যালয় ঘিরে অবস্থান নিয়ে আছেন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। তবে সেখানে নেতাকর্মীদের কোনো তৎপরতা চোখে পড়েনি।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু গত শুক্রবার এই কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেই হরতালের ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, “সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিবাদ, নির্দলীয় সরকার প্রতিষ্ঠা, আটক রাজবন্দিদের মুক্তি ও দুর্নীতিবাজ সরকারের পদত্যাগের দাবিতে ১৮ দলীয় জোট আগামী রোববার সারা দেশে সকাল-সন্ধ্যা হরতাল আহ্বান করছে।”
এরপর শনিবার তিনি বলেন, দল নিরপেক্ষ সরকার প্রশ্নে কোনো ছাড় দেয়া হবে না ১৮ দলীয় জোট। প্রয়োজনে স্বেচ্ছায় কারাবরণের মতো কর্মসূচিও তারা দেবেন।
“সরকার যদি এ বিষয়ে আলোচনা করতে চায়, তাতেও সাড়া দেব। আমরা আন্দোলনের আছি, সংলাপেও আছি।”