Published : 25 May 2013, 01:43 PM
শনিবার দুপুরে কিং অব চিটাগাং নামক কমিউনিটি সেন্টারে শিবির নিয়ন্ত্রিত প্রবাহ কোচিং সেন্টারের এসএসসি উত্তীর্ণদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান থেকে ২০ জনকে আটক করে পুলিশ।
পরে নগর ছাত্রলীগের স্টিয়ারিং কমিটির সাবেক সদস্য দিদারুল আলম থানায় নিজের পরিচয় দিয়ে ‘তার ভাইপোকে কেন নিয়ে আসা হয়েছে’ তা পুলিশের কাছে জানতে চান। এক পর্যায়ে তিনি পুলিশের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন।
এ সময় ওই থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানিয়েছিলেন, যাচাই-বাছাই শেষে আটকদের মধ্যে যারা নিরীহ তাদের ছেড়ে দেয়া হবে।
দিদারুলের সঙ্গে ওই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যে বাকলিয়ার গর্ভনমেন্ট কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি পরিচয় দিয়ে ওসমান গণি নামে একজন থানায় ঢুকতে চাইলে পুলিশের সঙ্গে তারও কথা কাটাকাটি হয়।
এর খানিক বাদে আ জ ম নাসির উদ্দিনের অনুসারী ছাত্রলীগের সাবেক নেতা হাসান মুরাদ বিপ্লব তার অনুসারীদের নিয়ে থানায় উপস্থিত হয়ে ওসিকে শাসাতে দেখা যায়। এ সময় ছাত্রলীগকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে।
এ প্রসঙ্গে বিপ্লব থানায় উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন, “দিদার তার ভাইপোকে আটক করেছে বলে এসেছিল। কিন্তু ছাত্রলীগ বলেতো তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করতে পারেন না।

বিপ্লবের সঙ্গে আবদুল মালেক ফেরদৌস নামে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক এক সদস্যকেও দেখা গেছে।
আর ছাত্রলীগনেতা পরিচয় দেয়া ওসমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমি ছাত্রলীগ পরিচয়ে থানায় আসিনি। বাংলাদেশ তথ্য মানবাধিকার ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের সভাপতি হিসেবে এখানে কি হয়েছে তা দেখতে এসেছি। পুলিশ আমাকে থানায় ঢুকতে বাধা দেয় এবং মারধর করেছে।”
এ বিষয়ে পাঁচলাইশ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ বলেন, “আমরা শিবির সন্দেহে আটক ছেলেদের যাচাই করছিলাম। এ সময় ছাত্রলীগের ছেলেরা যেটা করেছে সেটি দুঃখজনক ও ভুল বোঝাবুঝি। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আসা কোন নিরপরাধ ছাত্রকে আমরা গ্রেপ্তার দেখাবো না। যাচাই-বাছাইয়ের সময় তো অন্তত আমাদের দিতে হবে।”