‘যাও, যাও ফ্লোটিলা! ঈশ্বরের আর্শীবাদ নিয়ে এগিয়ে যাও’
ইসরায়েলি বাহিনীর বাধা সত্ত্বেও সুমুদ ফ্লোটিলার ৩০টির মতো নৌযান দুর্ভিক্ষ কবলিত যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার দিকে এগিয়ে যাওয়া অব্যাহত রেখেছে।
ইসরায়েল অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চল বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ র্যাপোর্টার ফ্রান্সেসকা পাওলা আলবানিজি প্রশ্ন তুলে বলেছেন, বিশ্বজুড়ে দেশগুলো গাজার সমুদ্রপথে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নৌ-অবরোধ ভাঙার কেন চেষ্টা করছে না, যেখানে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যা ও ফিলিস্তিনি ছিটমহলটির বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে দুর্ভিক্ষ সৃষ্টি করার অভিযোগ রয়েছে।
আল জাজিরার খবর অনুযায়ী সামাজিক মাধ্যম এক্স এ এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, যদি ‘বিশ্ব নাগরিকরা ছোট ও সাধারণ নৌযানের’ একটি ফ্লোটিলা (নৌবহর) নিয়ে গাজার ৬০ নটিক্যাল মাইলের (১১১ কিলোমিটার) মধ্যে চলে যেতে পারে তবে অত্যাধুনিক উপকরণে সজ্জিত নৌবাহিনীগুলো কেন আরও সহজে ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে পারবে না।
নিজের পোস্টে আলবানিজি জিজ্ঞেস করেছেন, “কেন রাষ্ট্রগুলো তাদের নৌবাহিনী দিয়ে ওই অবরোধ ভাঙে না?
“এই বিশ্বেই কি আমরা বাস করি? না, আমরা এটা মেনে নিতে পারি না। যাও, যাও ফ্লোটিলা! ঈশ্বরের আর্শীবাদ নিয়ে এগিয়ে যাও!”
আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, ইসরায়েলি নৌবাহিনী ফিলিস্তিনের দুর্ভিক্ষ কবলিত ছিটমহল গাজা অভিমুখী আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী নৌবহর সুমুদ ফ্লোটিলার ৪০টি নৌযানের মধ্যে ১৩টির গতিরোধ করেছে সেগুলোর আরোহী আন্দোলনকারীদের গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে প্রখ্যাত সুইডিশ জলবায়ু আন্দোলনকারী গ্রেটা থুনবার্গও আছেন।
তাদের গ্রেপ্তার করে ইসরায়েলি এক বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। তাদের বাহিনীর হাতে আটক আন্দোলনকারীরা ‘ভালো আছেন’ বলে দাবি করেছে তারা।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স বৃহস্পতিবার ফ্লোটিলার সংগঠকদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর বাধা সত্ত্বেও সুমুদ ফ্লোটিলার ৩০টির মতো নৌযান দুর্ভিক্ষ কবলিত যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার দিকে এগিয়ে যাওয়া অব্যাহত রেখেছে।
আরও পড়ুন:
