১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ছয় হাতির বাচ্চা উপহার, মিয়ানমারকে ধন্যবাদ দিলেন পুতিন

এই প্রথম রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ ও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করার সুযোগ পেলেন মিয়ানমারের জান্তা প্রধান।

ছয় হাতির বাচ্চা উপহার, মিয়ানমারকে ধন্যবাদ দিলেন পুতিন
ক্রেমলিনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মিয়ানমারের জান্তা প্রধান মিন অঙ হ্লাইং। ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 06 Mar 2025, 05:52 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:58 AM

মস্কো ও নেপিদোর কূটনৈতিক সম্পর্কের ৭৫তম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে এক বছর আগে রাশিয়াকে ছয়টি হাতির বাচ্চা উপহার দিয়েছিল মিয়ানমার। এবার ওই উপহারের জন্য দেশটির জান্তা সরকারের প্রধান জেনারেল মিন অঙ হ্লাইংয়ের মস্কো সফরের সময় তাকে ধন্যবাদ দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।    

২০২১ সালে মিয়ানমারের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করে দেশটির সেনাবাহিনী। তারপর থেকে এই নিয়ে চতুর্থবারের মতো রাশিয়া সফর করলেন হ্লাইং। কিন্তু এই প্রথম রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে সাক্ষাৎ ও দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করার সুযোগ পেলেন মিয়ানমারের জান্তা প্রধান। 

এক প্রতিবেদনে ইন্ডিপেন্ডেন্ট পত্রিকা জানিয়েছে, জেনারেল হ্লাইং পুতিনকে ‘রাজা’ বলে উল্লেখ করেন এবং ইউক্রেইনের সঙ্গে যুদ্ধে রাশিয়ার প্রতি সমর্থন জানান।   

রাশিয়াকে মিয়ানমারের উপহার দেওয়া সেই ছয় হাতির কয়েকটি। ছবি: ইরাওয়ার্দি 

রাশিয়াকে মিয়ানমারের উপহার দেওয়া সেই ছয় হাতির কয়েকটি

হ্লাইং বলেন, “আপনার শক্তিশালী ও সিদ্ধান্তমূলক নেতৃত্বের গুণে জয় আপনারই হবে বলে আমার বিশ্বাস।” 

পুতিন মস্কো ও নেপিদোর মধ্যে ক্রমাগত বাড়তে থাকা মিত্রতার এবং জেনারেল হ্লাইংয়ের সঙ্গে ‘মূলগত ও গঠনমূলক’ আলোচনার প্রশংসা করেন। 

পুতিনের দপ্তর থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “মস্কো ও নেপিদো বন্ধুত্ব, ঐতিহ্য ও সমর্থন এবং পারস্পরিক সহায়তার এক সত্যিকার শক্তিশালী বন্ধনে আবদ্ধ।”  

এই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ছয়টি হাতি উপহার দেওয়ার জন্য বৈঠকে পুতিন মিয়ানমারকে ধন্যবাদ দিয়ে জানান, হাতিগুলোকে ইতোমধ্যে মস্কো চিড়িয়াখানায় পাঠানো হয়েছে। 

দেশে মিয়ানমারের জান্তা সরকার তীব্র সশস্ত্র প্রতিরোধ ও গৃহযুদ্ধের মোকাবেলা করছে। গৃহযুদ্ধে দেশের সীমান্তবর্তী অনেক এলাকা দেশটির সামরিক সরকারের হাতছাড়া হয়েছে। এ যুদ্ধে রাশিয়া ও চীনের সমর্থন পাচ্ছে জান্তা সরকার। 

এ দেশ দু’টি মিয়ানমারের প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী। মিয়ানমারের সরকারবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে হামলা চালাতে রাশিয়ার তৈরি যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছে দেশটির সামরিক বাহিনী।