মহামারীতে অলিম্পিক আয়োজন নিয়ে টোকিওবাসীর ভাবনা

  • টোকিওর একটি মিষ্টির দোকানে ছবির জন্য পোজ দিচ্ছেন দোকান মালিক ওসাওয়া। তার মতে, দর্শকের উল্লাস, চিৎকার ছাড়া খেলার সত্যিকারের রোমাঞ্চ টের পাওয়া যায় না।

    টোকিওর একটি মিষ্টির দোকানে ছবির জন্য পোজ দিচ্ছেন দোকান মালিক ওসাওয়া। তার মতে, দর্শকের উল্লাস, চিৎকার ছাড়া খেলার সত্যিকারের রোমাঞ্চ টের পাওয়া যায় না।

  • অবসরপ্রাপ্ত ৭৭ বছর বয়সী এই প্রবীণ নাগরিক চান অলিম্পিক হোক। তার কথায়, “সবাইতো অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে অলিম্পিকের জন্য।”

    অবসরপ্রাপ্ত ৭৭ বছর বয়সী এই প্রবীণ নাগরিক চান অলিম্পিক হোক। তার কথায়, “সবাইতো অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে অলিম্পিকের জন্য।”

  • রাস্তায় বল ড্যান্স দেখানো এই শিল্পীর উক্তি, “আমি নিজে খেলোয়াড় না হলেও সারাজীবন নাচের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে তাদের মানসি কতা কিছুটা হলেও বুঝতে পারি। একজন খেলোয়াড় একটি অলিম্পিক খেলার জন্য সারা জীবন ধরে অপেক্ষা করেন।”

    রাস্তায় বল ড্যান্স দেখানো এই শিল্পীর উক্তি, “আমি নিজে খেলোয়াড় না হলেও সারাজীবন নাচের সঙ্গে জড়িত থাকার কারণে তাদের মানসি কতা কিছুটা হলেও বুঝতে পারি। একজন খেলোয়াড় একটি অলিম্পিক খেলার জন্য সারা জীবন ধরে অপেক্ষা করেন।”

  • টোকিওর এই চাকরিজীবী ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন, দেশের অর্থনীতির জন্য হলেও অলিম্পিক হওয়া উচিৎ, তবে সবার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করলে আয়োজনটি না হওয়াই শ্রেয়।

    টোকিওর এই চাকরিজীবী ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন, দেশের অর্থনীতির জন্য হলেও অলিম্পিক হওয়া উচিৎ, তবে সবার নিরাপত্তার কথা চিন্তা করলে আয়োজনটি না হওয়াই শ্রেয়।

  • জাপানের ডাবল-ডাচ রোপ জাম্পার কাইয়ের কথায়, “যদি অলিম্পিক হলে মানুষ উচ্ছ্বাসিত হয়, তবে তা হতে দেওয়া উচিৎ।”

    জাপানের ডাবল-ডাচ রোপ জাম্পার কাইয়ের কথায়, “যদি অলিম্পিক হলে মানুষ উচ্ছ্বাসিত হয়, তবে তা হতে দেওয়া উচিৎ।”

  • “এই ভাইরাস খুব শিগগিরই আমাদের মাঝ থেকে যাবে না, তাই আমি চাই অলিম্পিক হোক।” কঠিন এই সময়ে মানুষ যা করে আনন্দিত বা উচ্ছ্বাসিত হয় তা তাদের করা উচিৎ, এমনটিই মনে করেন টোকিওর এক সেলুন মালিক।

    “এই ভাইরাস খুব শিগগিরই আমাদের মাঝ থেকে যাবে না, তাই আমি চাই অলিম্পিক হোক।” কঠিন এই সময়ে মানুষ যা করে আনন্দিত বা উচ্ছ্বাসিত হয় তা তাদের করা উচিৎ, এমনটিই মনে করেন টোকিওর এক সেলুন মালিক।

  • বৃদ্ধাশ্রমে কাজ করা মিরেজ সাকাই আবার মনে করেন, “মহামারীতে বিধ্বস্ত পুরো দুনিয়া, এর মাঝে বিদেশি খেলোয়াড়দের অলিম্পিকে আমন্ত্রণ জানানোটা দুঃখজনক। কিন্তু এটা করতেই হচ্ছে।”

    বৃদ্ধাশ্রমে কাজ করা মিরেজ সাকাই আবার মনে করেন, “মহামারীতে বিধ্বস্ত পুরো দুনিয়া, এর মাঝে বিদেশি খেলোয়াড়দের অলিম্পিকে আমন্ত্রণ জানানোটা দুঃখজনক। কিন্তু এটা করতেই হচ্ছে।”