ইরানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় অস্ত্রবিরতিতে রাজি ইসরায়েল
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিপাক্ষিক অস্ত্রবিরতির প্রস্তাবে তারা সম্মত হয়েছে বলে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর জানিয়েছে।
ইরানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় অস্ত্রবিরতির মার্কিন প্রস্তাবে তারা রাজি হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ইসরায়েল, কিন্তু যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হলে ‘প্রবলভাবে প্রতিক্রিয়া’ জানাবে বলে সতর্ক করেছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানায়, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু মন্ত্রিসভা, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) প্রধান ও মোসাদের প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “ইসরায়েলের রাইজিং লায়ন অভিযানের সব লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে এবং আরও অনেক উদ্দেশ্য পূরণ হয়েছে। ইসরায়েল অস্তিত্বের প্রতি আসন্ন দুই হুমকি, পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ক্ষেত্রগুলো অপসারণ করেছে।”
বিবৃতির ভাষ্য অনুযায়ী, “আইডিএফ তেহরানের আকাশের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ অর্জন করেছে, (ইরানের) সামরিক নেতৃত্বের মারাত্মক ক্ষতিসাধন করেছে এবং ইরানের সরকারের বহু কেন্দ্রীয় লক্ষ্যকে ধ্বংস করেছে।”
এই বিবৃতিতে প্রথমবারের মতো দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলি হামলার ইরানের আরেকজন পরমাণু বিজ্ঞানী নিহত হয়েছেন।
এতে আরও বলা হয়, “এর আগেও আইডিএফ ওই শাসকদের তেহরানের কেন্দ্রস্থলে বড় ধরনের ধাক্কা দিয়েছে, বাসিজের (ইরানের একটি শক্তিশালী স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী), শাসকগোষ্ঠীর নিপীড়ন যন্ত্রের শত শত সক্রিয় সদস্যকে নির্মূল করেছে এবং আরেকজন জ্যেষ্ঠ পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যা করেছে।
“(ইসরায়েলের) প্রতিরক্ষায় সমর্থন দেওয়ায় ও ইরানের পারমাণবিক হুমকি নির্মূল করতে অংশ নেওয়ায় ইসরায়েল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ও যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ জানায়।
“অভিযানের লক্ষ্য অর্জনের আলোকে এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে পূর্ণ সমন্বয়ের জন্য ইসরায়েল প্রেসিডেন্টের দ্বিপক্ষীয় অস্ত্রবিরতির প্রস্তাবে সম্মত হয়েছে।”
এর সঙ্গে তারা যোগ করে বলেছে, ‘অস্ত্রবিরতির কোনো লঙ্ঘন হলে প্রবল শক্তির সঙ্গে’ প্রতিক্রিয়া জানাবে তারা।
এর আগে মঙ্গলবার সকালে ইসরায়েলে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত চারজন নিহত হওয়ার কিছুক্ষণ পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে বলেন, “অস্ত্রবিরতি এখন কার্যকর হয়েছে। অনুগ্রহ করে এটি লঙ্ঘন করবেন না!”
