১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র দেখালেন কিম

আসন্ন এশিয়া সফরে কিমের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দেওয়ার পরদিনই ক্ষেপণাস্ত্র জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন।

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র দেখালেন কিম

ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 13 Oct 2026, 06:37 PM

Updated : 13 Oct 2026, 06:37 PM

যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সজ্জিত প্রতিরক্ষা শিল্প জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন।

মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কেসিএনএ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। সংবাদমাধ্যমটি জানায়, মেয়ে জু আয়ে এবং স্ত্রী রি সোল জুকে সাথে নিয়ে কিম জং উন রোববার সদ্য উন্মোচিত ওই জাদুঘর (ডিফেন্স রেভল্যুশন মিউজিয়াম)- এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন এশিয়া সফরে কিমের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দেওয়ার পরদিনই এই ক্ষেপণাস্ত্র জাদুঘর পরিদর্শন করলেন কিম জং উন। আগামী নভেম্বর মাসের মাঝামাঝিতে চীনে অনুষ্ঠেয় এশিয়া-প্যাসিফিক ইকোনমিক কোঅপারেশন (এপিইসি) সম্মেলনে ট্রাম্প অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, জাদুঘরটিতে কিমের মেয়াদে তৈরি ড্রোন থেকে শুরু করে হোয়াসং-২০ আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রসহ নানা ধরনের অত্যাধুনিক সামরিক অস্ত্রশস্ত্র প্রদর্শন করা হয়েছে।

‘কোরিয়া ডিফেন্স অ্যান্ড সিকিউরিটি ফোরাম’- এর মহাসচিব শিন জং-উ বলেন, হোয়াসং-২০ লঞ্চারের সামনে রাখা প্রদর্শনীতে একাধিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম নকশা এবং একটি বিশ্বমানচিত্র দেখা গেছে। মানচিত্রতে ক্ষেপণাস্ত্রটির আঘাত হানার সীমা যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড ছাড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্য, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকা পর্যন্ত দেখানো হয়েছে।

শিন বলেন, কিম জং উনের প্রতিরক্ষা বিজ্ঞান উন্নয়ন কর্মসূচির সাফল্য তুলে ধরতেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। উত্তর কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য শীর্ষ সম্মেলনের আগে এটি কৌশলগত সুবিধা আদায় করতে প্রচার চালানোর কৌশলেরই অংশ বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

বিশ্লেষকরা বলেছেন, সামরিক প্রদর্শনীর মতো আয়োজনগুলোকে সরকারের স্থায়ী অর্জনে রূপ দেওয়ার যে চেষ্টা কিম চালিয়ে যাচ্ছেন, এই জাদুঘর তারই এক বড় প্রমাণ।

‘কিয়ুংনাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ফর ফার ইস্টার্ন স্টাডিজ’ অধ্যাপক লিম উল-চুল বলেন, একসময়ের অস্থায়ী অস্ত্র প্রদর্শনী কেন্দ্রগুলোকে স্থায়ী জাদুঘরে রূপ দিয়ে কিম তার সামরিক সাফল্যকে প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি দিচ্ছেন, যার মাধ্যমে উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা অর্জনকে চূড়ান্ত ও দীর্ঘস্থায়ী সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছেন তিনি “