যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপিতে ৭ বছরের শিশুসহ ছয় খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১
গ্রেপ্তার ডেরিকা মুরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য ও স্থানীয় একজন যাজককে হত্যা করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের ক্লে কাউন্টিতে শিশুসহ নিজ পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য ও এক যাজককে গুলি করে হত্যার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে এ ঘটনা ঘটেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রথম মাত্রার হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়েছে।
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে ক্লে কাউন্টির শেরিফ এডি স্কট জানিয়েছেন, ডেরিকা মুরের (২৪) বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য ও স্থানীয় একজন যাজককে হত্যা করেছেন। এসব অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্লে কাউন্টির বাসিন্দা মুরের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা প্রথম মাত্রার হত্যাকাণ্ড থেকে বাড়িয়ে ‘ক্যাপিটাল মার্ডারে’ উন্নিত করা হতে পারে। আর তাকে মানসিকভাবে সন্তোজনক অবস্থায় পাওয়া গেলে তার মৃত্যুদণ্ড হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
মিসিসিপির ষোড়শ সার্কিট কোর্টের জেলা কৌঁসুলি স্কট কলম ঘটনাটিকে ‘ভয়ানক’ বলে অভিহিত করেছেন। ক্লে কাউন্টিও কলমের কর্মপরিধির এখতিয়ার ভুক্ত এলাকা।
স্কটের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, দায়ের করা অভিযোগ বলা হয়েছে, মুর শুক্রবার সন্ধ্যায় তার বাবা, ভাই ও চাচাকে মাথায় গুলি করে হত্যা করেন, এরপর একটি ট্রাক চুরি করে দ্বিতীয় আরেক জায়গায় গিয়ে হাজির হন। সেখানে সাত বছর বয়সী এক বালিকাকে যৌন হেনেস্তার চেষ্টা করেন যে তার আত্মীয়, তারপর তাকে মাথায় গুলি করে হত্যা করেন।
পরে ৯১১ এ আসা এক কলের সূত্র ধরে আইনপ্রয়োগকারী কর্মকর্তারা তৃতীয় একটি স্থানে গিয়ে হাজির হন। সেখানে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত আরও দুইজনকে পাওয়া যায়। এদের মধ্যে একজন স্থানীয় যাজক।
স্কট জানান, মধ্যরাতের একটু আগে নিকটবর্তী একটি স্থান থেকে মুরকে গ্রেপ্তার করা হয়। কেন মুর এসব মানুষকে হত্যা করেছেন তা জানা যায়নি। তাকে সোমবার আদালতে হাজির করা হতে পারে।
ক্লে কাউন্টির অবস্থান মিসিসিপি অঙ্গরাজ্যের উত্তরপূর্বাঞ্চলে। কাউন্টিটিতে প্রায় ২০ হাজার মানুষ বসবাস করেন।
