২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রস্তুত ইরান, পারমাণবিক কর্মসূচি চলবে: পেজেশকিয়ান

ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের পর পশ্চিমা দেশগুলো তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সমাধান খোঁজার চেষ্টা চালানোর মধ্যে একথা বললেন ইরানি প্রেসিডেন্ট।

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে প্রস্তুত ইরান, পারমাণবিক কর্মসূচি চলবে: পেজেশকিয়ান
মাসুদ পেজেশকিয়ান। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ২৪

রয়টার্স

Published : 23 Jul 2025, 08:21 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:26 PM

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে সম্ভাব্য যে কোনও যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত তার দেশ। যুদ্ধবিরতি নিয়ে আশাবাদী নন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। 

একইসঙ্গে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশে ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি চালিয়ে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে নিশ্চিত করে জানান পেজেশকিয়ান। বুধবার আল-জাজিরাকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি।

গতমাসে ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ১২ দিনের যুদ্ধের পর থেকে পেজেশকিয়ানের প্রথম দেওয়া সাক্ষাৎকারগুলোর  এটি একটি। ওই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রও ইসরায়েলের পক্ষ নিয়ে ইরানের পামাণবিক স্থাপণাগুলোতে হামলা চালিয়েছিল।

পরে যুদ্ধবিরতির মধ্য দিয়ে সংঘাত থামে। এরপর থেকে পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের চলমান পারমাণবিক কর্মসূচির একটি সমাধান খোঁজার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। 

বিশেষ করে হামলায় ইরানের পামাণবিক স্থাপনার যে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র যুক্তরাষ্ট্র তুলে ধরেছিল, তার চেয়ে ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে বলে প্রকাশিত একাধিক প্রতিবেদনের প্রেক্ষাপটে এই চেষ্টা চলছে।

আল-জাজিরাকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, “ইসরায়েল আবার হামলা করলে আমদের সশস্ত্র বাহিনী সেদেশের আরও গভীরে আঘাত হানতে  প্রস্তুত। 

“১২ দিনের যুদ্ধের পর যুদ্ধবিরতি হলেও ইরান এর ওপর নির্ভর করে নেই। আমরা এর (যুদ্ধবিরতি) স্থায়িত্ব নিয়ে আশাবাদী নই। সে কারণে, আমরা আবার যে কোনও যুদ্ধ কিংবা পাল্টা জবাব দেওয়ার জন্য নিজেদেরকে প্রস্তুত রেখেছি।

“ইসরায়েল আমাদের ক্ষতি করেছে, আমরাও তাদের ক্ষতি করেছি। তারা আমাদের ওপর শক্তিশালী আঘাত হেনেছে। আমরাও তাদের ভূখন্ডের গভীরে আঘাত হেনেছি। কিন্তু তারা তাদের ক্ষয়ক্ষতি লুকিয়ে রাখছে।”

পারমাণবিক কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার প্রসঙ্গে পেজেশকিয়ান বলেন, আন্তর্জাতিক বিরোধিতার পরও ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ চালিয়ে যাবে। আন্তর্জাতিক আইন ও পরিকাঠামোর মধ্যে থেকেই ইরান নিজেদের পারমাণবিক সক্ষমতার উন্নয়ন সাধর করবে।