১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

এফবিআই প্রধান ক্যাশ প্যাটেলের বিরুদ্ধে সাবেক এজেন্টদের মামলা

অভিযোগপত্রে দুই সাবেক এফবিআই এজেন্টের দাবি, ট্রাম্পকে নিয়ে তদন্তের কারণে তারা বরখাস্ত হয়েছিলেন। এই সিদ্ধান্ত ছিল তাদের সাংবিধানিক অধিকারের লঙ্ঘন।

এফবিআই প্রধান ক্যাশ প্যাটেলের বিরুদ্ধে সাবেক এজেন্টদের মামলা
এফবিআই, ক্যাশ প্র্যাটেল, ছবি: রয়টার্স

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 20 Mar 2026, 10:09 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:12 PM

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই- এর প্রধান ক্যাশ প্যাটেলের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন সংস্থাটির সাবেক দুই এজেন্ট। তাদের অভিযোগ, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে একটি তদন্তকাজের কারণে তাদেরকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দায়ের করা ৪১ পৃষ্ঠার অভিযোগপত্রে ওই দুই এজেন্ট দাবি করেন, ‘আর্কটিক ফ্রস্ট’ কোডনামে পরিচালিত ‘ট্রাম্প তদন্তে’ কাজ করার কারণেই প্যাটেল তাদেরকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেন। এই সিদ্ধান্ত তাদের সাংবিধানিক অধিকারের লঙ্ঘন। 

তাছাড়া, তদন্তের কাজটি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদেরকে দিয়েছিলেন বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন সাবেক এই এজেন্টরা।

২০২০ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জো বাইডেন-এর কাছে হেরে যাওয়ার পর ট্রাম্প ফল উল্টে দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলে  অভিযোগ উঠেছিল। তবে ২০২৪ সালের নির্বাচনে ট্রাম্পের জয়ের পর দায়িত্বে থাকা একজন প্রেসিডেন্টকে বিচারের আওতায় না আনা সংক্রান্ত বিচারবিভাগীয় নীতিমালার কারণে মামলাটি প্রত্যাহার করা হয়।

অভিযোগকারী দুই সাবেক এফবিআই এজেন্ট, যারা নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন, জানান, তাদের চাকরিজীবনে কোনও খুঁত না থাকার পরও হঠাৎ করেই গত বছর অক্টোবরের শেষ থেকে নভেম্বরের শুরুর মধ্যে তাদেরকে বরখাস্ত করা হয়। এর কোনও কারণও ব্যাখ্যা করা হয়নি। 

উপরন্তু সেনেটের বিচারবিভাগীয় রিপাবলিকান চেয়ারম্যান চাক গ্র্যাসলি তদন্তে নাম থাকা এজেন্টদের তালিকা সম্বলিত একটি নথি প্রকাশের পরপরই তারা বরখাস্ত হন।

এফবিআই প্রধান ক্যাশ প্যাটেলের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়েছে, গত জানুয়ারিতে ট্রাম্প তার সোশাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ ‘আর্কটিক ফ্রস্ট’-এ জড়িত এফবিআই এজেন্টদের ‘স্কাম’ এবং ‘    র‌্যাডিক্যাল লেফট লুনাটিক’ আখ্যা দেন। 

এর জবাবে কাশ প্যাটেল মন্তব্য করেন যে, তার সংস্থা “দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মীদের খুঁজে বের করে গত বছরই তাদেকে চাকরি থেকে সরিয়ে দিয়েছে।”

মামলাকারী এজেন্টদের অভিযোগ, বরখাস্তের আগে কোনও অভ্যন্তরীন তদন্ত হয়নি, নোটিশ দেওয়া হয়নি বা শুনানি হয়নি। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণও দেখানো হয়নি বা আপিলের সুযোগ দেওয়া হয়নি।

এই দুই সাবেক এজেন্টের পরিচয় দেওয়া হয়েছে জন ডো ১ এবং জন ডো ২ ছদ্মনামে। মামলা দায়ের হয়েছে ওয়াশিয়টনের ফেডারেল আদালতে। অভিযোগকারীরা চাকরির পদে পুনর্বহাল হওয়া এবং বরখাস্তের সিদ্ধান্ত বেআইনি ছিল- এ বিষয়ে আদালতের আদেশ চেয়েছেন।