২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

‘এসে ধরুন, অপেক্ষা করছি!’ মাদুরোর পুরোনো ভিডিও পোস্ট করে ব্যাঙ্গ হোয়াইট হাউজের

যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পরই হোয়াইট হাউজ তার কয়েক মাস আগে দেওয়া ওই হুঙ্কারের ভিডিও এক্সে পোস্ট করেছে।

‘এসে ধরুন, অপেক্ষা করছি!’ মাদুরোর পুরোনো ভিডিও পোস্ট করে ব্যাঙ্গ হোয়াইট হাউজের
মাদুরো ও ট্রাম্প। ছবি: এনডিটিভি

নিউজ ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 04 Jan 2026, 09:10 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:30 PM

কয়েক মাস আগের কথা। ভেনেজ়ুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এক ভিডিওতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছিলেন, “এসে আমাকে ধরুন। আমি মিরাফ্লোরেসে ( ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের বাসভবন) অপেক্ষা করছি।”

তার ওই হুঙ্কারের কয়েক মাসের মাথায় ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়ে ঠিক তা-ই করেছেন ট্রাম্প। বন্দি করেছেন মাদুরোকে। এরপর রোববারই মাদুরোর সেই পুরোনো ভিডিও পোস্ট করে ব্যাঙ্গ করেছে হোয়াইট হাউজ। 

মাদুরোর বার্তার ৬১ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে ভেনেজুয়েলায় হামলা নিয়ে ট্রাম্পের সাংবাদিক সম্মেলন এবং মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের কিছু বক্তব্যও জুড়ে দেওয়া হয়েছে। 

ভেনেজুয়েলার স্থানীয় সময় শনিবার শেষ রাতে ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসের এক সুরক্ষিত ঘাঁটি থেকে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে মার্কিন সেনারা তুলে নিয়ে যায়।

আপাতত নিউ ইয়র্কের একটি আটককেন্দ্রে রাখা হয়েছে মাদুরোকে। এরপরই মাদুরোর পুরোনো সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়া এক্সে পোস্ট করেছে হোয়াইট হাউজ। ভিডিওটি এরই মধ্যে ভাইরাল হয়েছে।

এনডিটিভি জানিয়েছে, মাদুরোর এই ভিডিও গত অগাস্টের। তাতে মাদুরো বলেছিলেন, “আমাকে ধরতে আসুন। আমি মিরাফ্লোরেসে অপেক্ষা করছি। দেরি করবেন না, কাপুরুষ।”

ভিডিওতে হেগসেথের যে বক্তব্যে জুড়ে দেওয়া হয়, তাতে দেখা গেছে, হেগসেথ বলছেন, “মাদুরোর সুযোগ ছিল, কিন্তু তিনি তা কাজে লাগাতে পারলেন না।”

হেগসেথকে আরও বলতে শোনা যায়, “মাদুরো বাড়াবাড়ি করেছিলেন। এর ফল তিনি হাতেনাতে পেলেন।” 

রিপাবলিকানদের কেউ কেউ মনে করেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ‘চ্যালেঞ্জ’ ছুড়ে ভুল করেছিলেন মাদুরো। সেকারণে তাকে ফল ভুগতে হল।

মাদুরোকে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে মাদক-সন্ত্রাসে জড়িত থাকা এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ধ্বংসাত্মক অস্ত্র ব্যবহারের ষড়যন্ত্রের অভিযোগ দায়ের করেছে ট্রাম্প সরকার।