২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
ভারত ও পাকিস্তানের স্বাধীনতা এসেছে আইনসভা ও প্রশাসনিক হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে; বাংলাদেশের স্বাধীনতা এসেছে যুদ্ধক্ষেত্রে শত্রু সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে। এই মৌলিক পার্থক্যই বাংলাদেশকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ভাষায় এক বিরল ‘যুদ্ধজয়ী রাষ্ট্র’ করে তুলেছে।
বিজয় দিবসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং বিরোধী দলীয় নেতা রাহুল গান্ধীর বার্তায় বাংলাদেশের নাম না থাকায় নানামুখী আলোচনা চলছে।
ভিআইপিদের শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয়।
তিনদিনই নাটকের প্রদর্শনী শুরু হবে বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে।
জে এন দীক্ষিত লিখে গেছেন, পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের যৌথ কমান্ডের বাংলাদেশের সেনাপতি এমএজি ওসমানীকে উপস্থিত করতে না পারাটা ছিল ভারতীয় কর্তৃপক্ষের ‘দুর্ভাগ্যজনক স্খলন’।
"মুক্তিযুদ্ধের যে আত্মত্যাগ এবং বীরত্বগাথা, তা থেকে মানুষকে কী করে আরো জাগ্রত করা যায়, তার জন্যই এ অনুষ্ঠান।”
তাদের পরনে ছিল লাল-সবুজ, হাতে ছিল ফুল, আর হৃদয়ে বাংলাদেশ।
পুষ্পস্তবক অর্পণের পর প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিরা মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।