০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ট্রাম্প ও মামদানি সেদিনও একে অপরকে ‘কমিউনিস্ট; ও ‘স্বৈরাচারী’ বলে গালি দিত—তাদের সাক্ষাৎ যেন রাজনৈতিক নাটকের নতুন অধ্যায়, যেখানে শত্রু এখন বন্ধুও বটে!
এর আগেও ট্রাম্পকে সমর্থন করার জন্য অর্থ ব্যয় করেছেন প্রযুক্তি প্রধানরা। ট্রাম্পকে কোনো কারণে ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের মূর্তিও উপহার দিয়েছিলেন অ্যাপলের সিইও টিম কুক।
শেষ পর্যন্ত ভালো দিক হল, তারা অন্তত চীনের বাজারে পণ্য বিক্রি করতে পারছে, যেখানে পুরো বাজারটা হুয়াওয়ের হাতে তুলে দেওয়ার চেয়ে এটি অনেক ভালো পদক্ষেপ।
এটি হোয়াইট হাউসের সঙ্গে এক অভূতপূর্ব চুক্তি। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র সরকার সরাসরি কোনো কোম্পানির বিদেশে চিপ বিক্রির আয় থেকে ভাগ নেয়নি।
এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণা দলের কাছ থেকে চুরি করা কিছু তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ছড়িয়ে দিয়েছিল হ্যাকার দলটি।
ট্রাম্প বলেছেন, “এজন্য চীনের অনুমোদন লাগবে, তবে আমি মনে করি আমরা তা পাব। আমার মনে হয় চীনের প্রেসিডেন্ট শি শেষ পর্যন্ত অনুমোদন দেবেন।”
এ সপ্তাহে বড় একটি ক্রিপ্টো বিনিয়োগকারী ও সমর্থকদের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকের আগে কোম্পানিটির এই অর্থ সংগ্রহের খবর এল।
যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা কমার পাশাপাশি ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্য সফরে প্রযুক্তি খাতের বিভিন্ন চুক্তিও আলোচনায় এসেছে।