১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ক্ষেপাণাস্ত্রটিকে বাধা দিয়ে ধ্বংসের চেষ্টা করা হয়েছিল, কিন্তু এয়ার ডিফেন্স ব্যর্থ হয়।
রোববার ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উত্তর ইসরায়েলের শহর হাইফায় আঘাত হানার পর আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালান উদ্ধারকর্মীরা।
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষ নতুন করে ছড়িয়ে পড়ছে। রোববার রাতেও ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় কেঁপে ওঠে তেল আবিব ও হাইফা। পাল্টা জবাবে ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায় ইসরায়েল।
তেল আবিব, হাইফা ও অন্যান্য নগরীতে আঘাত হেনেছে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ইরানে তাদের অভিযান শাসকগোষ্ঠীর পতন ঘটাতে পারে।
ইসরায়েলের জরুরি পরিষেবা মেগান ডেভিড আদমের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, রাতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলজুড়ে প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন।
হুতি মুখপাত্র বলেছেন, “এই ঘোষণার মুহূর্ত থেকে হাইফা বন্দর লক্ষ্যবস্তু হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।”
পুলিশের মুখপাত্র আরেহ ডোরন জানিয়েছেন, যে ‘সন্ত্রাসী’ এই ছুরি হামলা চালিয়েছে সে একজন ইসরায়েলি নাগরিক।