২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
আগের মডেলটিতে যেখানে ৭৫ থেকে ১০০ ওয়াট বিদ্যুৎ লাগত, সেখানে নতুন ভি৫ ডিশটি চলবে কেবল ৩৫ থেকে ৫০ ওয়াট বিদ্যুতে।
জাপানের এ পরীক্ষার ঠিক একদিন আগেই সমুদ্রের বুকে বিশেষ নেট-ক্যাপচার প্রযুক্তি বা জাল দিয়ে ধরে ফেলার পদ্ধতির মাধ্যমে সফলভাবে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য রকেট অবতরণ করায় চীন।
কোম্পানিটির পরিকল্পনা হচ্ছে, স্পেসএক্সের স্টারলিংকের মতো বড় স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা, যার মাধ্যমে প্রয়োজন অনুসারে যে কোনো স্থানে সূর্যের আলো সরবরাহ করা যাবে।
চীনের এ রকেটটিকে মার্কিন কোম্পানি স্পেসএক্স-এর বহুল ব্যবহৃত মাঝারি পাল্লার ‘ফ্যালকন ৯’ রকেটের সমান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
রাশিয়ার মোতায়েন করা এ জ্যামিং সিস্টেম প্রায় ২০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় স্টারলিংক সংযোগকে অস্থিতিশীল করে দেওয়ার মতো শক্তিশালী সিগনাল তৈরি করতে পারে।
এর আগে, পারমাণবিক শক্তিচালিত বিভিন্ন মিশনের মধ্যে রয়েছে নাসার ‘ভয়েজার ১’ ও ‘২ প্রোব’, যা ১৯৭৭ সালে উৎক্ষেপণের পর থেকে আন্তঃনাক্ষত্রিক মহাকাশ থেকে তথ্য পাঠাতে পারমাণবিক শক্তির উৎস ব্যবহার করছে।
গেল বছর স্পেনসহ প্রতিবেশী পর্তুগাল ও ফ্রান্সে যে বড় বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটেছিল সেই ধরনের পরিস্থিতি সামাল দিতেই এ পদক্ষেপ নিচ্ছে দেশটি।
স্পেসসেল এমন সব দেশ ও অঞ্চলকে ‘টার্গেট’ করছে, যেখানে স্টারলিংককে বিভিন্ন রাজনৈতিক বা নীতিগত জটিলতার মুখে পড়তে হয়েছে।